পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০


পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০

( ২০১০ সনের ৫৮ নং আইন )

[]

জাতিসংঘ কর্তৃ ক ঘোষিত নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ, ১৯৭৯ ও শিশু অধিকার সনদ, ১৯৮৯ এর স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসাবে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত নারী ও শিশুর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার নিমিত্ত পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ,পারিবারিক সহিংসতা হইতে নারী ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।

যেহেতু জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ, ১৯৭৯ ও শিশু অধিকার সনদ, ১৯৮৯ এর স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসাবে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত নারী ও শিশুর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার নিমিত্ত পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ, পারিবারিক সহিংসতা হইতে নারী ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-

সূচী

ধারাসমূহ

প্রম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম এবং মেয়াদ
২। সংজ্ঞা
দ্বিতীয় অধ্যায়
পারিবারিক সহিংসতা
৩। পারিবারিক সহিংসতা
তৃতীয় অধ্যায়
পুলিশ অফিসার, প্রয়োগকারী কর্মকর্তা এবং সেবা প্রদানকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য ইত্যাদি
৪। পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য
৫। প্রয়োগকারী কর্মকর্তা নিয়োগ
৬। প্রয়োগকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব ও কর্তব্য
৭। সেবা প্রদানকারী এবং উহাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।
৮। আশ্রয় নিবাসের দায়িত্ব
৯। চিকিৎসা সেবা প্রদানকারীর দায়িত্ব
চতুর্থ অধ্যায়
সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির অধিকার, প্রতিকার প্রাপ্তি, ইত্যাদি
১০। অংশীদারী বাসগৃহে বসবাসের অধিকার।
১১। আদালতে আবেদন
১২। আবেদন দাখিলের স্থান
১৩। অন্তবর্তীকালীন সুরক্ষা আদেশ ও নোটিশ জারী
১৪। সুরক্ষা আদেশ
১৫। বসবাস আদেশ
১৬। ক্ষতিপূরণ আদেশ
১৭। নিরাপদ হেফাজত আদেশ
১৮। বিনা মূল্যে আদেশের অনুলিপি সরবরাহ
১৯। আদেশের মেয়াদ ও সংশোধন, ইত্যাদি
পঞ্চম অধ্যায়
আবেদন নিষ্পত্তি, বিচার, আপীল, ইত্যাদি
২০। আবেদন নিষ্পত্তি
২১। বিচার
২২। বিচারের কার্যপদ্ধতি
২৩। নিভৃত কক্ষে বিচার কার্যক্রম
২৪। সরেজমিনে তদন্ত
২৫। আদেশ জারী
২৬। প্রতিপক্ষের অনুপস্থিতিতে বিচার
২৭। আবেদন খারিজ
২৮। আপীল
ষষ্ঠ অধ্যায়
অপরাধ, শাস্তি, ইত্যাদি
২৯। আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা এবং আপোষযোগ্যতা
৩০। সুরক্ষা আদেশ লঙ্ঘনের শাস্তি
৩১। সমাজকল্যাণমূলক কাজে সেবা প্রদান
৩২। মিথ্যা আবেদন করিবার শাস্তি
সপ্তম অধ্যায়
বিবিধ
৩৩। জনসেবক
৩৪। প্রয়োগকারী কর্মকর্তার জবাবদিহিতা
৩৫। এই আইনের বিধানাবলীর অতিরিক্ততা
৩৬। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩৭। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ

বিস্তারিত–ক্লিক করুন

মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০১২


মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

( ২০১২ সনের ৩ নং আইন )

[ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১২]

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন

যেহেতু মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান করা আবশ্যক; এবং
যেহেতু মানব পাচার সংক্রান্ত সংঘবদ্ধভাবে সংঘটিত আন্তঃদেশীয় অপরাধসমূহ প্রতিরোধ ও দমনকল্পে আন্তর্জাতিক মানদন্ডের সহিত সঙ্গতিপূর্ণ বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ—

সূচী

ধারাসমূহ

প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
৩। মানব পাচার
৪। আইনের প্রাধান্য এবং ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ইত্যাদির প্রযোজ্যতা
৫। এই আইনের অতিরাষ্ট্রিক (extraterritorial) প্রয়োগ
দ্বিতীয় অধ্যায়
মানব পাচার ও তদ্‌সংশ্লিষ্ট অপরাধসমূহ এবং দণ্ড
৬। মানব পাচার নিষিদ্ধকরণ ও দণ্ড
৭। সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড
৮। অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড
৯। জবরদস্তি বা দাসত্বমূলক শ্রম বা সেবা প্রদান করিতে বাধ্য করিবার দণ্ড
১০। মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, চুরি এবং আটক করিবার দণ্ড
১১। পতিতাবৃত্তি বা অন্য কোনো প্রকারের যৌন শোষণ বা নিপীড়নের জন্য আমদানী বা স্থানান্তরের দণ্ড
১২। পতিতালয় পরিচালনা বা কোন স্থানকে পতিতালয় হিসাবে ব্যবহারের অনুমতি প্রদানের দণ্ড
১৩। পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে আহবান জানাইবার দণ্ড
১৪। ভিকটিম বা মামলার সাক্ষীকে হুমকি প্রদানের দণ্ড
১৫। মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড
১৬। অপরাধের আমলযোগ্যতা, আপোষযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা
তৃতীয় অধ্যায়
অভিযোগ দায়ের এবং তদন্ত
১৭। অভিযোগ দায়ের
১৮। অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে আইনগত অনুমান
১৯। তদন্ত
২০। প্রতিরোধমূলক তল্লাশী এবং আটক
চতুর্থ অধ্যায়
মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এবং অপরাধের বিচার
২১। মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন
২২। ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা
২৩। ট্রাইব্যুনালের অধিকতর তদন্ত সংক্রান্ত ক্ষমতা
২৪। বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা
২৫। রুদ্ধ-কক্ষ বিচার (trial in-camera)
২৬। দোভাষী নিয়োগ
২৭। সম্পত্তি আটক (seizure) , অবরুদ্ধকরণ (freeze)ও বাজেয়াপ্তকরণ (confiscation) এবং অতিরাষ্ট্রিক নিষেধাজ্ঞা
২৮। ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ
২৯। বিদেশী দলিল, লিখিত তথ্য প্রমাণাদি বা উপাদানের গ্রহণযোগ্যতা
৩০। ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা
৩১। আপিল
পঞ্চম অধ্যায়
মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গ এবং সাক্ষীদিগকে সহায়তা এবং তাহাদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসন
৩২। মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গকে বা ভিকটিমদের চিহ্নিতকরণ এবং উদ্ধার
৩৩। ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গের প্রত্যাবাসন (repatriation) এবং প্রত্যাবর্তন (return)
৩৪। ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গ এবং জনসাধারণকে সাধারণভাবে তথ্য সরবরাহ
৩৫। আশ্রয় কেন্দ্র এবং পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা
৩৬। নিরাপত্তা বিধান (protection) , পুনর্বাসন এবং সামাজিক একাঙ্গীভূতকরণ (integration)
৩৭। ফৌজদারী বিচারের ক্ষেত্রে ভিকটিম বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি এবং সাক্ষীর সুরক্ষা বিধান
৩৮। শিশু ভিকটিম এবং শিশু সাক্ষীর অধিকার রক্ষা
৩৯। ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেওয়ানী মামলা রুজু করিবার অধিকার
৪০। মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান
ষষ্ঠ অধ্যায়
মানব পাচার দমন ও প্রতিরোধে যৌথ বা পারস্পরিক আইনি সহযোগিতা
৪১। মানব পাচার দমন ও প্রতিরোধে যৌথ বা পারস্পরিক আইনি সহায়তা এবং সহযোগিতা
সপ্তম অধ্যায়
বিবিধ
৪২। মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল
৪৩। জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থা
৪৪। কোম্পানী বা ফার্ম কর্তৃক অপরাধ সংঘটন
৪৫। সমতার নীতির প্রয়োগ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে বিধান
৪৬। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৪৭। রহিতকরণ ও হেফাজত
৪৮। আইনের ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ

বিস্তারিত এখানে- মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২


পর্নোগ্রাফি তৈরির অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ বিল-২০১২’ পাস হয়েছে সংসদে। এ আইনে পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে কারো মর্যাদাহানি বা কাউকে ব্ল্যাকমেইল করা হলে, এমনকি এ জাতীয় কিছু সংরক্ষণ বা পরিবহন করা হলেও দুই থেকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং এক থেকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে। গত ২ জানুয়ারি বিলটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিপরিষদ। পরে ২৯ জানুয়ারি বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের ১৮তম কার্যদিবসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব নাকচ হয়।

কোনো ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি উৎপাদন বা এ উদ্দেশ্যে অংশগ্রহণকারী সংগ্রহ করে চুক্তিপত্র তৈরি করলে অথবা কোনো নারী, পুরুষ বা শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে জানিয়ে বা না জানিয়ে স্থির, ভিডিও বা চলচ্চিত্র ধারণ করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে বিলে।
শিশুদের ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণকারীদের জন্য সবচেয়ে বেশি শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘বর্তমানে চলচ্চিত্র, স্যাটেলাইট, ওয়েবসাইট ও মোবাইলের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি মারাত্মক ব্যাধির মতো দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। পর্নোগ্রাফি যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এর শিকার হয়ে অনেক নারী, পুরুষ ও শিশুকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হতে হচ্ছে। কিন্তু এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন না থাকায় অপরাধ রোধ ও অরপাধীদের বিচার করা সম্ভব হচ্ছে না। বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।’

বিলে পর্নোগ্রাফির সংজ্ঞা, বিচারিক আদালত, বিচার ও আপিল পদ্ধতি, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের শাস্তি, তদন্ত এবং তল্লাশি পদ্ধতি ও অপরাধের আমলযোগ্যতার বিষয়টি সনি্নবেশিত করা হয়েছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

বিলে পর্নোগ্রাফির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোনো অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অধনগ্ন নৃত্য যা চলচ্চিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও ভিজুয়ালচিত্র, স্থিরচিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এবং যার কোনো শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই।’
এ ছাড়া ‘যৌন উত্তেজনা’ সৃষ্টিকারী অশ্লীল বই, সাময়িকী, ভাস্কর্য, কল্পমূর্তি, মূর্তি, কার্টুন বা লিফলেট বা এগুলোর নেগেটিভ বা সফট ভার্সনও পর্নোগ্রাফির আওতাভুক্ত হবে। বিলে বলা হয়েছে, ‘পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ, বহন, সরবরাহ, ক্রয়-বিক্রয় ও প্রদর্শন করা যাবে না।’

পর্নোগ্রাফির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বা তাঁর সমমর্যাদার কর্মকর্তাকে দিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। তদন্তের প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে আরো ১৫ দিন এবং আদালতের অনুমোদন পাওয়া গেলে আরো ৩০ দিন পর্যন্ত সময় নেওয়া যাবে। বিলের ৬ নম্বর দফায় বলা হয়েছে, এ জাতীয় অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার বা কোনো পর্নোগ্রাফি সরঞ্জাম জব্দ করার জন্য তল্লাশি চালানো যাবে।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২

( ২০১২ সনের ৯ নং আইন )

[৮ মার্চ, ২০১২ ]

নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধকল্পে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণের
উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন

যেহেতু পর্নোগ্রাফি প্রদর্শনের ফলে নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটিতেছে এবং বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হইতেছে ও সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাইতেছে; এবং
যেহেতু নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন প্রণয়ন করা হইলঃ—

সূচী

ধারাসমূহ

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
৩। আইনের প্রাধান্য
৪। পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ইত্যাদি নিষিদ্ধ
৫। তদন্ত
৬। তল্লাশী, জব্দ ইত্যাদি
৭। বিশেষজ্ঞ মতামতের সাক্ষ্যমূল্য
৮। দণ্ড
৯। কতিপয় ক্ষেত্রে আইনের অপ্রযোজ্যতা
১০। অপরাধের আমলযোগ্যতা
১১। বিচার পদ্ধতি
১২। আপিল
১৩। মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির দণ্ড
১৪। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
১৫। আইনের ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ

বিস্তারিত দেখুন– পর্ণগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২