ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯


<!– –>

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯
( ২০০৯ সনের ২৬ নং আইন )

<!–

ধারা নং
:
–>

[এপ্রিল ৬, ২০০৯]

<!–

http://www.google.com/coop/cse/brand?form=cse-search-box&lang=en–>

ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ, ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্য প্রতিরোধ ও তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে বিধান করিবার লক্ষ্যে প্রণীত আইন।

       যেহেতু ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ, ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্য প্রতিরোধ ও তৎসশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-

সূচী
ধারাসমূহ
<!–[Open With PDF] –>
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২৷ সংজ্ঞা
৩। এই আইন অতিরিক্ত গণ্য হওয়া
৪। আইনের প্রয়োগ হইতে অব্যাহতি
দ্বিতীয় অধ্যায়
পরিষদ প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
৫৷ পরিষদ প্রতিষ্ঠা
৬৷ সদস্য পদের মেয়াদ
৭৷ পরিষদের সভা
৮৷ পরিষদের কার্যাবলী
৯৷ পরিষদের তহবিল
১০৷ জেলা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ কমিটি প্রতিষ্ঠা
১১৷ জেলা কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলী
১২৷ জেলা কমিটির সভা
১৩৷ উপজেলা কমিটি, ইউনিয়ন কমিটি ইত্যাদি
১৪৷ জেলা কমিটি, ইত্যাদির তহবিল
১৫৷ বাজেট
১৬৷ হিসাব রক্ষণ ও নিরীক্ষা
১৭৷ বার্ষিক প্রতিবেদন
তৃতীয় অধ্যায়
অধিদপ্তর, মহাপরিচালক, ইত্যাদি
১৮৷ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
১৯৷ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়, ইত্যাদি
২০৷ মহাপরিচালক
২১৷ মহাপরিচালকের ক্ষমতা ও কার্যাবলী
২২৷ কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ
২৩৷ মহাপরিচালক বা অন্য কোন কর্মকর্তার তদন্তের ক্ষমতা
২৪৷ পরোয়ানা জারীর ক্ষমতা
২৫৷ প্রকাশ্য স্থান, ইত্যাদিতে আটক বা গ্রেফতারের ক্ষমতা
২৬৷ তল্লাশী, ইত্যাদির পদ্ধতি
২৭৷ ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্যের জন্য দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ইত্যাদি সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ
২৮৷ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সহায়তা গ্রহণ
২৯৷ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পণ্য সামগ্রী উৎ‍পাদন, বিক্রয় ইত্যাদির উপর বাধা-নিষেধ
৩০৷ প্রবেশ, ইত্যাদির ক্ষমতা
৩১৷ নমুনা সংগ্রহের ক্ষমতা, ইত্যাদি
৩২৷ বাজেয়াপ্তযোগ্য পণ্য, ইত্যাদি
৩৩৷ বাজেয়াপ্তকরণ পদ্ধতি
৩৪৷ পঁচনশীল পণ্যের নিষ্পত্তি
৩৫৷ বাজেয়াপ্ত ও আটককৃত দ্রব্যাদির নিষ্পত্তি বা বিলি বন্দোবস্ত
৩৬৷ ভেজাল পণ্যের সরাসরি আটক ও নিষ্পত্তি
চতুর্থ অধ্যায়
অপরাধ, দণ্ড, ইত্যাদি
৩৭৷ পণ্যের মোড়ক, ইত্যাদি ব্যবহার না করিবার দণ্ড
৩৮৷ মূল্যের তালিকা প্রদর্শন না করিবার দণ্ড
৩৯৷ সেবার মূল্যের তালিকা সংরক্ষণ ও প্রদর্শন না করিবার দণ্ড
৪০৷ ধার্য্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য, ঔষধ বা সেবা বিক্রয় করিবার দণ্ড
৪১৷ ভেজাল পণ্য বা ঔষধ বিক্রয়ের দণ্ড
৪২৷ খাদ্য পণ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্যের মিশ্রণের দণ্ড
৪৩৷ অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎ‍পাদন বা প্রক্রিয়াকরণের দণ্ড
৪৪৷ মিথ্যা বিজ্ঞাপন দ্বারা ক্রেতা সাধারণকে প্রতারিত করিবার দণ্ড৷
৪৫৷ প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবরাহ না করিবার দণ্ড
৪৬৷ ওজনে কারচুপির দণ্ড
৪৭৷ বাটখারা বা ওজন পরিমাপক যন্ত্রে কারচুপির দণ্ড
৪৮৷ পরিমাপে কারচুপির দণ্ড
৪৯৷ দৈর্ঘ্য পরিমাপের কার্যে ব্যবহৃত গজ বা ফিতায় কারচুপির দণ্ড
৫০৷ পণ্যের নকল প্রস্তুত বা উৎ‍পাদন করিবার দণ্ড
৫১৷ মেয়াদ উত্তীর্ণ কোন পণ্য বা ঔষধ বিক্রয় করিবার দণ্ড
৫২৷ সেবা গ্রহীতার জীবন বা নিরাপত্তা বিপন্নকারী কার্য করিবার দণ্ড
৫৩৷ অবহেলা, ইত্যাদি দ্বারা সেবা গ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য, জীবনহানি, ইত্যাদি ঘটাইবার দণ্ড
৫৪৷ মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের দণ্ড
৫৫৷ অপরাধ পুনঃ সংঘটনের দণ্ড
৫৬৷ বাজেয়াপ্তকরণ ইত্যাদি
পঞ্চম অধ্যায়
বিচার, ইত্যাদি
৫৭৷ বিচার
৫৮। সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার
৫৯। অপরাধের জামিন, আমলযোগ্যতা ও আপোষযোগ্যতা
৬০। অভিযোগ
৬১। তামাদি
৬২। পণ্যের ত্রুটি পরীক্ষা
৬৩। ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা
৬৪। দ্বিতীয়বার বিচার নিষিদ্ধ
৬৫। আপীল
ষষ্ঠ অধ্যায়
দেওয়ানী কার্যক্রম ও প্রতিকার
৬৬। দেওয়ানী প্রতিকার
৬৭। দেওয়ানী আদালতের ক্ষমতা
৬৮। দেওয়ানী আপীল
সপ্তম অধ্যায়
বিবিধ
৬৯। আইনের অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা
৭০। অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীতব্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা
৭১। ফৌজদারী কার্যক্রমের সীমাবদ্ধতা
৭২। ঔষধ বিষয়ক বিশেষ বিধান
৭৩। বেসরকারী স্বাস্থ্য পরিসেবা পরিবীক্ষণ
৭৪। গ্রেফতার বা আটক সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিতকরণ
৭৫। অন্য আইনে অপরাধ হইবার ক্ষেত্রে অনুসরণীয় পদ্ধতি
৭৬। অভিযোগ এবং জরিমানার টাকায় অভিযোগকারীর অংশ
৭৭। সরল বিশ্বাসে কৃত কার্য
৭৮। দায় হইতে অব্যাহতি
৭৯। ক্ষমতা অর্পণ
৮০। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৮১। প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
৮২। ইংরেজীতে অনুদিত পাঠ প্রকাশ, ইত্যাদি

সম্পূর্ণ আইন পড়ুনঃ

সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯৪


সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯৪

( ১৯৯৪ সনের ২১ নং আইন )

[১৭ ডিসেম্বর ১৯৯৪]

সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন আইন, ১৯৯২ এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখে বা তত্পূর্বে উক্ত আইনের অধীন রম্্নজুকৃত ও অনিষ্পন্ন মামলা, আপীল ও অন্যান্য কার্যধারা নিষ্পত্তি এবং নিষ্পন্নকৃত তদন্ত্মের ভিত্তিতে মামলা ও অন্যান্য কার্যধারা পরিচালনা ও আনুষংগিক বিষয়ে বিধান করার জন্য প্রণীত আইন৷

 

যেহেতু সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন আইন, ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৪ নং আইন) এর মেয়াদ উক্ত আইনের ১(২) ধারা অনুযায়ী, ২১ শে কার্তিক, ১৪০১ মোতাবেক ৫ই নভেম্বর ১৯৯৪ তারিখে উত্তীর্ণ হইয়াছে;

 

এবং যেহেতু উক্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখে বা তত্পূর্বে রম্্নজুকৃত এবং অনিষ্পন্ন মামলা, আপীল ও অন্যান্য কার্যধারা নিষ্পত্তি করা এবং নিষ্পন্নকৃত তদন্ত্মের ভিত্তিতে মামলা ও অন্যান্য কার্যধারা পরিচালনা ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

 

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্্নরূপ আইন করা হইল:-

 

সূচী

ধারাসমূহ

 

১৷ সংতিগপ্ত শিরোনামা ও প্রর্বতন

২৷ সংজ্ঞা

৩৷ ১৯৯২ সনের ৪৪ নং আইনের অধীন কতিপয় কার্যধারা নিষ্পত্তিকরণ

৪৷ ১৯৯২ সনের ৪৪ নং আইনের অধীন অপরাধের অনিষ্পন্ন তদন্ত্মের নিষ্পত্তি ও বিচার

৫৷ রহিতকরণ ও হেফাজত

মূল আইন

স্বপ্রণোদিত তথ্যপ্রকাশ অধ্যাদেশ, ২০০৮


স্বপ্রণোদিত তথ্যপ্রকাশ অধ্যাদেশ, ২০০৮
( ২০০৮ সনের ২৭ নং অধ্যাদেশ)
[৮ জুন, ২০০৮]
অনিয়ন্ত্রিত ও ব্যাপক দুর্নীতির কারণে জনস্বার্থ এবং স্বাভাবিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ব্যাহত হইবার এবং উহা গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রধান অন্তরায় হিসাবে বিবেচিত হইবার প্রেক্ষাপটে দেশ হইতে ক্রমবিস্তৃত ও প্রোথিত দুর্নীতি নির্মূল করা, প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক ও শিল্প উন্নয়ন অব্যাহত রাখা এবং রাষ্ট্রকে উক্তরূপ দুর্নীতির বিচার ও অপরাধ প্রমাণের ভার লাঘব এবং উক্ত অপরাধ বিচারের বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে উহা দ্রুততার সহিত নিষ্পন্নের লক্ষ্যে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করিবার উদ্দেশ্যে প্রণীত
অধ্যাদেশ
যেহেতু অনিয়ন্ত্রিত ও ব্যাপক দুর্নীতির কারণে জনস্বার্থ এবং স্বাভাবিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ব্যাহত হইবার এবং উহা গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রধান অন্তরায় হিসাবে বিবেচিত হইবার প্রেক্ষাপটে দেশ হইতে ক্রমবিস্তৃত ও প্রোথিত দুর্নীতি নির্মূল করা, প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক ও শিল্প উন্নয়নকে অব্যাহত রাখা এবং রাষ্ট্রকে উক্তরূপ দুর্নীতির বিচার ও অপরাধ প্রমাণের ভার লাঘব এবং উক্ত অপরাধ বিচারের বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে উহা দ্রুততার সহিত নিষ্পন্নের লক্ষ্যে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে;
সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩ এর দফা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিলেনঃ-
সূচী
ধারাসমূহ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও মেয়াদ
২। সংজ্ঞা
৩। অধ্যাদেশের প্রাধান্য
৪। কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
৫। কমিশনের মেয়াদ, ইত্যাদি
৬। কমিশনের গঠন, ইত্যাদি
৭। সদস্যগণের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
৮। সদস্য পদে সাময়িক শূন্যতা পূরণ
৯। কমিশনের সভা
১০। সদস্যগণের পদত্যাগ
১১। সদস্যগণের পদমর্যাদা, পারিশ্রমিক ও সুবিধাদি
১২। প্রধান নির্বাহী
১৩। কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ

মূল অধ্যাদেশ পড়ুন 

নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩


নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩
( ২০১৩ সনের ৫০ নং আইন )
[২৭ অক্টোবর, ২০১৩ ]
 
নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক অথবা অমর্যাদাকর আচরণ অথবা শাস্তির বিরুদ্ধে জাতিসংঘ সনদের কার্যকারিতা প্রদানের লক্ষ্যে প্রণীত আইন
যেহেতু ১৯৮৪ সালের ১০ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক, লাঞ্ছনাকর ব্যবহার অথবা দণ্ডবিরোধী একটি সনদ স্বাক্ষরিত হইয়াছে; এবং
যেহেতু ১৯৯৮ সালের ৫ অক্টোবর স্বাক্ষরিত দলিলের মাধ্যমে উক্ত সনদে বাংলাদেশও অংশীদার হইয়াছে; এবং
যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদ নির্যাতন এবং নিষ্ঠুর, অমানবিক, লাঞ্ছনাকর ব্যবহার ও দণ্ড মৌলিকভাবে নিষিদ্ধ করিয়াছে; এবং
যেহেতু জাতিসংঘ সনদের ২(১) ও ৪ অনুচ্ছেদ নির্যাতন, নিষ্ঠুর, অমানবিক ও লাঞ্ছনাকর ব্যবহার ও দণ্ড অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করিয়া নিজ নিজ দেশে আইন প্রণয়নের দাবি করে; এবং
যেহেতু বাংলাদেশে উপরিউক্ত সনদে বর্ণিত অঙ্গীকারসমূহের কার্যকারিতা প্রদানে আইনী বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:—
সূচী
ধারাসমূহ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
৩। আইনের প্রাধান্য
৪। আদালতে অপরাধের অভিযোগ
৫। আদালত কর্তৃক মামলা দায়েরের নির্দেশ দান
৬। তৃতীয় পক্ষ দ্বারা অভিযোগ
৭। অভিযোগের অপরাপর ধরন
৮। অপরাধের তদন্ত
৯। ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ
১০। অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি
১১। নিরাপত্তা বিধান
১২। যুদ্ধ অথবা অন্য ধরনের অজুহাত অগ্রহণযোগ্য
১৩। অপরাধসমূহ
১৪। বিচার
১৫। শাস্তি
১৬। আপীল
১৭। অ-নাগরিক
১৮। প্রত্যর্পণ
১৯। ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ও অপ্রত্যক্ষ প্রমাণ
২০। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

 মূল আইন এখানে দেখুন 

বাংলাদেশের আইন ও বিচারব্যবস্থার পটভূমি


বাংলাদেশের বর্তমান আইন ও বিচার ব্যবস্থা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় দু’শ বছরের বৃটিশ শাসনের কাছে বহুলাংশে ঋণী, যদিও এর কিছু কিছু উপাদান প্রাক-বৃটিশ আমলের হিন্দু এবং মুসলিম শাসন ব্যবস্থার অবশিষ্টাংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। এটি বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে একটি ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া হিসেবে পর্যায়ক্রমে বিকাশ লাভ করে। এ বিকাশের প্রক্রিয়াটি আংশিক স্বদেশী ও আংশিক বিদেশী এবং গঠন প্রণালী, আইনগত ধারণা ও নীতিমালার ক্ষেত্রে ইন্দো-মোঘল এবং বৃটিশ উভয় ব্যবস্থার সমন্বয়ে উদ্ভূত একটি মিশ্র আইনী ব্যবস্থা। ভারতীয় উপমহাদেশের বৃটিশ আমলের পূর্ববর্তী পাঁচশত বছরেরও বেশী মুসলিম ও হিন্দু শাসনের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। প্রত্যেকটি শাসনামলের নিজস্ব স্বতন্ত্র আইন ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল।

প্রায় পনের’শ বছর আগে এবং খ্রীষ্টীয় যুগ আরম্ভ হওয়ার পরে হিন্দু আমলের বিস্তৃতি ঘটে। সে সময় প্রাচীন ভারতবর্ষ কতিপয় স্বাধীন রাজ্যে বিভক্ত ছিল এবং রাজা ছিলেন প্রত্যেকটি রাজ্যের সর্বময় কর্তা। বিচার ব্যবস্থা তথা ন্যায় বিচার প্রসঙ্গে রাজা ন্যায় বিচারের উৎস হিসেবে বিবেচিত হতেন এবং তাঁর রাজত্বে বিচার প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হতেন।

১১০০ খ্রীষ্টাব্দে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান শাসকদের আক্রমণ ও বিজয়ের ফলে মুসলমান আমলের শুরু হয়। একাদশ শতাব্দীর শুরুতে এবং দ্বাদশ শতাব্দীর ক্রান্তিলগ্নে মুসলমান শাসকদের আক্রমণের মুখে হিন্দু রাজত্ব পর্যায়ক্রমে খন্ড বিখন্ড হতে শুরু করে। যখন মুসলমানরা সকল রাজ্য জয় করে, তখন তারা তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পবিত্র কোরআনের উপর ভিত্তি করে তৈরি মতবাদও তাদের সঙ্গে করে এনেছিল। পবিত্র কোরআন অনুসারে সার্বভৌমত্ব সর্বশক্তিমান আল্লাহর হাতে ন্যস্ত এবং রাজা হচ্ছে পৃথিবীতে আল্লাহর ইচ্ছা ও আদেশ পালনকারী এক অনুগত দাস। শাসক ছিল সর্বশক্তিমান আল্লাহর পছন্দনীয় প্রতিনিধি এবং জিম্মাদার।

ইংরেজ আমলে বৃটিশ রাজকীয় সনদপ্রাপ্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কিছু কর্মকর্তা ভারতের প্রাচীন আইন ও বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ভার গ্রহণ করে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী পর্যায়ক্রমে বোম্বে, মাদ্রাজ এবং কলকাতার দখল গ্রহণ ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে, যা পরবর্তী সময়ে ‘প্রেসিডেন্সি টাউন’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় কোম্পানী বিচার প্রশাসনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছিল। রাজা প্রথম জর্জ কর্তৃক ইস্যুকৃত ১৭২৬ সালের সনদ ভারতে ইংরেজ আইন ও বিচার ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী বাণিজ্যের জন্য অনুমোদন পায়। পরবর্তীতে এ সনদের ত্রুটিসমূহ দূর করার লক্ষ্যে রাজা দ্বিতীয় জর্জ ১৭৫৩ সালে নতুন সনদ ইস্যু করেন। এ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য হাউজ অব কমনস- এর গোপনীয় কমিটি হস্তক্ষেপ করে এবং রেগুলেশন এ্যাক্ট, ১৭৭৩ পাশ করে, যার অধীন রাজা কলকাতায় বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীমকোর্ট প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৭৭৪ সালে একটি পৃথক সনদ ইস্যু করে। পরবর্তী সময়ে ১৮০১ সালে মাদ্রাজে এবং ১৮২৪ সালে বোম্বেতে (বর্তমান মুম্বাই) সুপ্রীমকোর্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়।

ভারতে ১৮৫৩ সালে প্রথম আইন কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং একটি সর্ব ভারতীয় আইন সভা সৃষ্টি করা হয় যার প্রণীত আইন সকল আদালতের উপর কার্যকর ছিল। এ সময় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী বিলুপ্ত করা হয় এবং ১৮৫৭ সালের প্রথম স্বাধীনতা আন্দোলন তথা সিপাহী বিপ্লবের পর ১৮৫৮ সালেই ভারতের শাসনভার বৃটিশ রাজা কর্তৃক গ্রহণ করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধি আইন, ফৌজদারী কার্যবিধি আইন, দণ্ডবিধি, সাক্ষ্য আইন ইত্যাদি সেই সময় প্রণয়ন করা হয়েছিল এবং সাধারণ আইনী কাঠামোয় বৃটিশ আইন সভা ১৮৬১ সালে ভারতীয় হাই কোর্ট আইন প্রণয়ন করে যার মাধ্যমে তিনটি প্রেসিডেন্সি শহরে (কলকাতা, বোম্বে ও মাদ্রাজ) প্রতিষ্ঠিত বিদ্যমান সুপ্রীমকোর্ট প্রতিস্থাপন করে হাইকোর্ট স্থাপন করা হয়। হাইকোর্ট প্রতিষ্ঠার পর দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতের একটি নিয়মিত ক্রমঅধিকারতন্ত্র দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এবং ফৌজদারী কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে । ভারতীয় উপ-মহাদেশের দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতে বিদ্যমান বর্তমান ব্যবস্থার আইনগত ভিত্তি হচ্ছে এই দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এবং ফৌজদারী কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট বৃটিশ আইন সভা ভারত ও পাকিস্তানকে ভারতীয় স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭ এর বলে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করে । এ আইন অনুসারে, স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তানের জন্য নতুন সংবিধান রচিত না হওয়া পর্যন্ত এ দুই দেশের সরকার পরিচালিত হবে ভারত সরকার আইন, ১৯৩৫ এর মাধ্যমে। বিচার বিভাগের গঠন প্রণালী ১৯৪৭ সনের আগে যেরূপ ছিল প্রধানত তাই রয়ে গিয়েছে।

১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইন সরকারের গঠন পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে দেয়। ফলে শাসন ব্যবস্থা একক বা কেন্দ্রীয় শাসন পদ্ধতি হতে ফেডারেল পদ্ধতিতে পরিবর্তিত হয়। এ আইনের বিধি অনুসারে ভারত এবং পাকিস্তান উভয় দেশেই নতুন সংবিধান রচিত না হওয়া পর্যন্ত ফেডারেল আদালত চালু রাখা হয়।

পাকিস্তান গণপরিষদ ‘প্রিভি কাউন্সিল (অধিক্ষেত্র বাতিল) আইন, ১৯৫০’ পাশ করে যা পাকিস্তানের ফেডারেল আদালত হতে প্রিভি কাউন্সিলে আপীল দায়েরের ব্যবস্থাকে বাতিল করেছিল। ১৯৫৬ সালে নতুন সংবিধান প্রবর্তনের মাধ্যমে এর আওতায় প্রদেশসমূহে হাই কোর্ট এবং কেন্দ্রে পাকিস্তান সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ফেডারেল আদালত পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে কাজ করেছে। পাকিস্তানের এ সংবিধান ১৯৫৮ সালে বাতিল করা হয়েছিল এবং ১৯৬২ সালে নতুন আরেকটি সংবিধান চালু করা হয়, কিন্তু সমগ্র বিচার কাঠামো একই রয়ে যায়। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ একটি সংবিধান গ্রহণ করে যাতে আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রীম কোর্টের গঠন প্রণালী ও কার্যক্রম বর্ণনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের অধঃস্তন বিচার বিভাগ, দেওয়ানী ও ফৌজদারী ব্যবস্থা উভয়ের উৎপত্তি হয়েছিল দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এবং ফৌজদারী কার্যবিধি আইন ১৮৯৮ থেকে। এছাড়াও বাংলাদেশে আরো কতিপয় অন্যান্য বিশেষ আইন আছে, যা কিছু বিশেষ আদালতের ভিত্তিস্বরূপ কাজ করে, যেমন – শ্রম আদালত, শিশু অপরাধ আদালত, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি।

এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২


এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২

( ২০০২ সনের ২ নং আইন )
[১৭ মার্চ, ২০০২]

এসিড অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে বিধান করার লক্ষ্যে প্রণীত আইন৷

যেহেতু এসিড অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

সূচী

ধারাসমূহ

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা
২৷ সংজ্ঞা
৩৷ আইনের প্রাধান্য
৪৷ এসিড দ্বারা মৃত্যু ঘটানোর শাস্তি
৫৷ এসিড দ্বারা আহত করার শাস্তি
৬৷ এসিড নিক্ষেপ করা বা নিক্ষেপের চেষ্টা করার শাস্তি
৭৷ অপরাধে সহায়তার শাস্তি
৮৷ মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি
৯৷ ক্ষতিগ্রস্তকে অর্থদণ্ডের অর্থ প্রদান
১০৷ অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের পদ্ধতি
১১৷ অপরাধের তদন্ত
১২৷ ক্ষেত্রবিশেষে আসামীকে সাক্ষী গণ্য করা
১৩৷ তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক আলামত, সাক্ষ্য ইত্যাদি সংগ্রহে গাফিলতি
১৪৷ অপরাধের আমলযোগ্যতা, অ-আপোষযোগ্যতা ও অ-জামিনযোগ্যতা
১৫৷ জামিন সংক্রান্ত বিধান
১৬৷ বিচার পদ্ধতি
১৭৷ অভিযুক্ত শিশুর বিচার পদ্ধতি
১৮৷ আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার
১৯৷ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যে কোন স্থানে জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষমতা
২০৷ রাসায়নিক পরীক্ষক, রক্ত পরীক্ষক, ইত্যাদির সাক্ষ্য
২১৷ সাক্ষীর উপস্থিতি
২২৷ ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি
২৩৷ এসিড অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
২৪৷ অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি
২৫৷ অন্য আইনের অধীন সংঘটিত কতিপয় অপরাধের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের এখ্‌তিয়ার
২৬৷ আপীল
২৭৷ মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন
২৮৷ নিরাপত্তামূলক হেফাজত
২৯৷ মেডিক্যাল পরীক্ষা
৩০৷ বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

পুরো আইন পড়ুন