সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯৪


সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯৪

( ১৯৯৪ সনের ২১ নং আইন )

[১৭ ডিসেম্বর ১৯৯৪]

সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন আইন, ১৯৯২ এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখে বা তত্পূর্বে উক্ত আইনের অধীন রম্্নজুকৃত ও অনিষ্পন্ন মামলা, আপীল ও অন্যান্য কার্যধারা নিষ্পত্তি এবং নিষ্পন্নকৃত তদন্ত্মের ভিত্তিতে মামলা ও অন্যান্য কার্যধারা পরিচালনা ও আনুষংগিক বিষয়ে বিধান করার জন্য প্রণীত আইন৷

 

যেহেতু সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন আইন, ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৪ নং আইন) এর মেয়াদ উক্ত আইনের ১(২) ধারা অনুযায়ী, ২১ শে কার্তিক, ১৪০১ মোতাবেক ৫ই নভেম্বর ১৯৯৪ তারিখে উত্তীর্ণ হইয়াছে;

 

এবং যেহেতু উক্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখে বা তত্পূর্বে রম্্নজুকৃত এবং অনিষ্পন্ন মামলা, আপীল ও অন্যান্য কার্যধারা নিষ্পত্তি করা এবং নিষ্পন্নকৃত তদন্ত্মের ভিত্তিতে মামলা ও অন্যান্য কার্যধারা পরিচালনা ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

 

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্্নরূপ আইন করা হইল:-

 

সূচী

ধারাসমূহ

 

১৷ সংতিগপ্ত শিরোনামা ও প্রর্বতন

২৷ সংজ্ঞা

৩৷ ১৯৯২ সনের ৪৪ নং আইনের অধীন কতিপয় কার্যধারা নিষ্পত্তিকরণ

৪৷ ১৯৯২ সনের ৪৪ নং আইনের অধীন অপরাধের অনিষ্পন্ন তদন্ত্মের নিষ্পত্তি ও বিচার

৫৷ রহিতকরণ ও হেফাজত

মূল আইন

স্বপ্রণোদিত তথ্যপ্রকাশ অধ্যাদেশ, ২০০৮


স্বপ্রণোদিত তথ্যপ্রকাশ অধ্যাদেশ, ২০০৮
( ২০০৮ সনের ২৭ নং অধ্যাদেশ)
[৮ জুন, ২০০৮]
অনিয়ন্ত্রিত ও ব্যাপক দুর্নীতির কারণে জনস্বার্থ এবং স্বাভাবিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ব্যাহত হইবার এবং উহা গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রধান অন্তরায় হিসাবে বিবেচিত হইবার প্রেক্ষাপটে দেশ হইতে ক্রমবিস্তৃত ও প্রোথিত দুর্নীতি নির্মূল করা, প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক ও শিল্প উন্নয়ন অব্যাহত রাখা এবং রাষ্ট্রকে উক্তরূপ দুর্নীতির বিচার ও অপরাধ প্রমাণের ভার লাঘব এবং উক্ত অপরাধ বিচারের বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে উহা দ্রুততার সহিত নিষ্পন্নের লক্ষ্যে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করিবার উদ্দেশ্যে প্রণীত
অধ্যাদেশ
যেহেতু অনিয়ন্ত্রিত ও ব্যাপক দুর্নীতির কারণে জনস্বার্থ এবং স্বাভাবিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ব্যাহত হইবার এবং উহা গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রধান অন্তরায় হিসাবে বিবেচিত হইবার প্রেক্ষাপটে দেশ হইতে ক্রমবিস্তৃত ও প্রোথিত দুর্নীতি নির্মূল করা, প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক ও শিল্প উন্নয়নকে অব্যাহত রাখা এবং রাষ্ট্রকে উক্তরূপ দুর্নীতির বিচার ও অপরাধ প্রমাণের ভার লাঘব এবং উক্ত অপরাধ বিচারের বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে উহা দ্রুততার সহিত নিষ্পন্নের লক্ষ্যে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে;
সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩ এর দফা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিলেনঃ-
সূচী
ধারাসমূহ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও মেয়াদ
২। সংজ্ঞা
৩। অধ্যাদেশের প্রাধান্য
৪। কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
৫। কমিশনের মেয়াদ, ইত্যাদি
৬। কমিশনের গঠন, ইত্যাদি
৭। সদস্যগণের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
৮। সদস্য পদে সাময়িক শূন্যতা পূরণ
৯। কমিশনের সভা
১০। সদস্যগণের পদত্যাগ
১১। সদস্যগণের পদমর্যাদা, পারিশ্রমিক ও সুবিধাদি
১২। প্রধান নির্বাহী
১৩। কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ

মূল অধ্যাদেশ পড়ুন 

নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩


নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩
( ২০১৩ সনের ৫০ নং আইন )
[২৭ অক্টোবর, ২০১৩ ]
 
নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক অথবা অমর্যাদাকর আচরণ অথবা শাস্তির বিরুদ্ধে জাতিসংঘ সনদের কার্যকারিতা প্রদানের লক্ষ্যে প্রণীত আইন
যেহেতু ১৯৮৪ সালের ১০ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক, লাঞ্ছনাকর ব্যবহার অথবা দণ্ডবিরোধী একটি সনদ স্বাক্ষরিত হইয়াছে; এবং
যেহেতু ১৯৯৮ সালের ৫ অক্টোবর স্বাক্ষরিত দলিলের মাধ্যমে উক্ত সনদে বাংলাদেশও অংশীদার হইয়াছে; এবং
যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদ নির্যাতন এবং নিষ্ঠুর, অমানবিক, লাঞ্ছনাকর ব্যবহার ও দণ্ড মৌলিকভাবে নিষিদ্ধ করিয়াছে; এবং
যেহেতু জাতিসংঘ সনদের ২(১) ও ৪ অনুচ্ছেদ নির্যাতন, নিষ্ঠুর, অমানবিক ও লাঞ্ছনাকর ব্যবহার ও দণ্ড অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করিয়া নিজ নিজ দেশে আইন প্রণয়নের দাবি করে; এবং
যেহেতু বাংলাদেশে উপরিউক্ত সনদে বর্ণিত অঙ্গীকারসমূহের কার্যকারিতা প্রদানে আইনী বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:—
সূচী
ধারাসমূহ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
৩। আইনের প্রাধান্য
৪। আদালতে অপরাধের অভিযোগ
৫। আদালত কর্তৃক মামলা দায়েরের নির্দেশ দান
৬। তৃতীয় পক্ষ দ্বারা অভিযোগ
৭। অভিযোগের অপরাপর ধরন
৮। অপরাধের তদন্ত
৯। ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ
১০। অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি
১১। নিরাপত্তা বিধান
১২। যুদ্ধ অথবা অন্য ধরনের অজুহাত অগ্রহণযোগ্য
১৩। অপরাধসমূহ
১৪। বিচার
১৫। শাস্তি
১৬। আপীল
১৭। অ-নাগরিক
১৮। প্রত্যর্পণ
১৯। ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ও অপ্রত্যক্ষ প্রমাণ
২০। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

 মূল আইন এখানে দেখুন