অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা আইন ও অধ্যাদেশ, ২০১২


অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা আইন, ২০১২

( ২০১২ সনের ৪ নং আইন )

[ফেব্রুয়ারি ২০,২০১২]

অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা আইন প্রণয়নকল্পে প্রনীত আইন

যেহেতু অপরাধমূলক কার্যের মাধ্যমে অর্জিত বা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত সম্পৃক্ত অথবা সন্ত্রাসী সম্পত্তি ফ্রিজ বা আটক সম্পর্কিত বিষয়সহ অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে অনুসন্ধান, প্রসিকিউশন এবং বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রদান বা গ্রহণের জন্য বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ—

সূচী

ধারাসমূহ

অধ্যায়-১
প্রারম্ভিক
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
অধ্যায় -২
কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ
৩। কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ
৪। কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
৫। উপদেষ্টা বোর্ড
৬। উপদেষ্টা বোর্ডের কার্যপদ্ধতি
৭। সিদ্ধান্তের চূড়ান্ততা
অধ্যায়-৩
সহায়তা প্রদান এবং সহায়তার জন্য অনুরোধ
অংশ-১
সাধারণ বিধানাবলী
৮। সহায়তার পরিধি
৯। সহায়তার অনুরোধ প্রেরণ ও গ্রহণ
১০। সহায়তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান বা স্থগিত রাখা
১১। অনুরোধ কার্যকরকরণ
১২। অন্য আইনে সহায়তা প্রদান
১৩। গোপনীয়তা প্রকাশ না করা
অংশ-২
সহায়তার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি সংক্রান্ত
১৪। অনুসন্ধানের জন্য বিবৃতি ও সাক্ষ্য উপস্থাপন
১৫। বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক সাক্ষ্য (testimony) গ্রহণ
১৬। সাক্ষ্য বা বিবৃতি গ্রহণ সম্পর্কিত বিশেষ বিধানাবলী
১৭। কোন ব্যক্তি, সত্ত্বা (entity) বা বস্তু সনাক্তকরণ
১৮। ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির ব্যবহার
১৯। তল্লাশি এবং আটক
২০। বাংলাদেশে আটক রহিয়াছে এমন ব্যক্তিকে হস্তান্তর
২১। ট্রানজিটকালীন কোন ব্যক্তির হেফাজত
অংশ-৩
ফ্রিজিং ও আটক
এবং বাজেয়াপ্তকরণের অনুরোধ
২২। ফ্রিজিং বা আটকের আদেশ
২৩। বিদেশী আদালতের রায় বলবৎকরণ
২৪। তৃতীয় পক্ষের অধিকার
২৫। অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তির বিলি-বন্দেজ
অংশ—৪
সরকারী দপ্তরের দলিল বা তথ্যাদি সরবরাহ
২৬। সরকারী দপ্তরের দলিল বা তথ্যাদি সরবরাহ
২৭। ফৌজদারী কার্যধারার সূচনা
অংশ-৫
কম্পিউটার সিস্টেম এবং কম্পিউটার ড্যাটা সংক্রান্ত সহযোগিতা
২৮। কম্পিউটার ড্যাটা সংরক্ষণ
২৯। সংরক্ষিত কম্পিউটার ড্যাটা উপস্থাপন
৩০। কম্পিউটার ড্যাটা তল্লাশি এবং আটক।
অধ্যায়-৪
বাংলাদেশ কর্তৃক সহায়তার অনুরোধ

৩১। বাংলাদেশ কর্তৃক সহায়তার অনুরোধ
৩২। নিরাপত্তা হেফাজতে স্থানান্তরিত ব্যক্তি সম্পর্কিত বিশেষ বিধান
৩৩। সহায়তার অনুরোধ অনুসারে বাংলাদেশে অবস্থানকারী ব্যক্তির প্রতি নিরাপদ আচরণ
৩৪। সহায়তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত সাক্ষ্য ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা
অধ্যায়—৫
বিবিধ
৩৫। ব্যয়
৩৬। সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্যতা
৩৭। অনুরোধের ভাষা
৩৮। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩৯। জটিলতা নিরসনে সরকারের ক্ষমতা
৪০। ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
৪১। রহিতকরণ

বিশদ দেখুন এখানে

অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা অধ্যাদেশ, ২০১২

( ২০১২ সনের ১ নং অধ্যাদেশ)

[১৭ জানুয়ারি , ২০১২]

অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তার বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত
অধ্যাদেশ

যেহেতু অপরাধমূলক কার্যের মাধ্যমে অর্জিত বা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত সম্পৃক্ত অথবা সন্ত্রাসী সম্পত্তি ফ্রিজ বা আটক সম্পর্কিত বিষয়সহ অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে অনুসন্ধান, প্রসিকিউশন এবং বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রদান বা গ্রহণের জন্য বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু সংসদ অধিবেশনে নাই এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে:
সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিলেনঃ—

সূচী

ধারাসমূহ

অধ্যায়—১
প্রারম্ভিক
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
অধ্যায় -২
কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ
৩।কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ
৪। কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
৫। উপদেষ্টা বোর্ড
৬। উপদেষ্টা বোর্ডের কার্য-পদ্ধতি
৭। সিদ্ধান্তের চূড়ান্ততা
অধ্যায়-৩
সহায়তা প্রদান এবং সহায়তার জন্য অনুরোধ
অংশ-১
সাধারণ বিধানাবলী
৮। সহায়তার পরিধি
৯। সহায়তার অনুরোধ প্রেরণ ও গ্রহণ
১০। সহায়তার অনুরোধ প্রত্যাখান বা স্থগিত রাখা
১১। অনুরোধ কার্যকরকরণ
১২। অন্য আইনে সহায়তা প্রদান
১৩। গোপনীয়তা প্রকাশ না করা

অংশ-২
সহায়তার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি সংক্রান্ত
১৪। অনুসন্ধানের জন্য বিবৃতি ও সাক্ষ্য উপস্থাপন
১৫। বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক সাক্ষ্য (testimony) গ্রহণ
১৬। সাক্ষ্য বা বিবৃতি গ্রহণ সম্পর্কিত বিশেষ বিধানাবলী
১৭। কোন ব্যক্তি, সত্তা (entity) বা বস্ত্ত সনাক্তকরণ
অংশ-১
সাধারণ বিধানাবলী
১৮। ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির ব্যবহার
অংশ-২
সহায়তার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি সংক্রান্ত
১৯। তল্লাশি এবং আটক
২০। বাংলাদেশে আটক রহিয়াছে এমন ব্যক্তিকে হস্তান্তর
২১। ট্রানজিটকালীন কোন ব্যক্তির হেফাজত
অংশ-৩
ফ্রিজিং ও আটক
এবং বাজেয়াপ্তকরণের অনুরোধ
২২। ফ্রিজিং বা আটকের আদেশ
২৩। বিদেশী আদালতের রায় বলবৎকরণ
২৪। তৃতীয় পক্ষের অধিকার
২৫। অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তির বিলি-বন্দেজ
অংশ-৪
সরকারি দপ্তরের দলিল বা তথ্যাদি সরবরাহ
২৬। সরকারি দপ্তরের দলিল বা তথ্যাদি সরবরাহ
২৭। ফৌজদারী কার্যধারার সূচনা
অংশ-৫
কম্পিউটার সিস্টেম এবং কম্পিউটার ড্যাটা সংক্রান্ত সহযোগিতা
২৮। কম্পিউটার ড্যাটা সংরক্ষণ
২৯।সংরক্ষিত কম্পিউটার ড্যাটা উপস্থাপন
৩০। কম্পিউটার ড্যাটা তল্লাশি এবং আটক
অধ্যায়-৪
বাংলাদেশ কর্তৃক সহায়তার অনুরোধ

৩১। বাংলাদেশ কর্তৃক সহায়তার অনুরোধ
৩২। নিরাপত্তা হেফাজতে স্থানান্তরিত ব্যক্তি সম্পর্কিত বিশেষ বিধান
৩৩। সহায়তার অনুরোধ অনুসারে বাংলাদেশে অবস্থানকারী ব্যক্তির প্রতি নিরাপদ আচরণ
৩৪। সহায়তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত সাক্ষ্য ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা
অধ্যায়-৫
বিবিধ
৩৫। ব্যয়
৩৬। সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্যতা
৩৭। অনুরোধের ভাষা
৩৮। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩৯। জটিলতা নিরসনে সরকারের ক্ষমতা
৪০। ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ

বিস্তারিত জানতে—এখানে ক্লিক করুন

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও অধ্যাদেশ, ২০১২


মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২

( ২০১২ সনের ৫ নং আইন )

[ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১২]

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদ্‌সংক্রান্ত
আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন

যেহেতু মানিলন্ডারিং ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং উহাদের শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদ্‌সংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ

সূচী

ধারাসমূহ

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২ । সংজ্ঞা
৩। আইনের প্রাধান্য
৪। মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড
৫। অবরুদ্ধকরণ বা ক্রোক আদেশ লংঘনের দণ্ড
৬। তথ্য প্রকাশের দণ্ড
৭। তদন্তে বাধা বা অসহযোগিতা, প্রতিবেদন প্রেরণে ব্যর্থতা বা তথ্য সরবরাহে বাধা দেওয়ার দণ্ড
৮। মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড
৯। অপরাধের তদন্ত ও বিচার
১০। স্পেশাল জজ এর বিশেষ এখতিয়ার
১১। অপরাধের আমলযোগ্যতা, অ-আপোষযোগ্যতা ও অ-জামিনযোগ্যতা
১২। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদনের অপরিহার্যতা
১৩। জামিন সংক্রান্ত বিধান
১৪। সম্পত্তির অবরুদ্ধকরণ (Freezing) বা ক্রোক (Attachment) আদেশ
১৫। অবরুদ্ধকৃত বা ক্রোককৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান
১৬। সম্পত্তির অবরুদ্ধকরণ বা ক্রোক আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
১৭। সম্পত্তির বাজেয়াপ্তকরণ
১৮। বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান
১৯। বাজেয়াপ্তকরণ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
২০। বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তির নিষ্পত্তিকরণ প্রক্রিয়া
২১। অবরুদ্ধকৃত, ক্রোককৃত বা বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যবস্থাপক বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
২২। আপীল
২৩। মানিলন্ডারিং অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
২৪। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) প্রতিষ্ঠা
২৫। মানিলন্ডারিং অপরাধ প্রতিরোধে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার দায়-দায়িত্ব
২৬। বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি
২৭। সত্তা কর্তৃক অপরাধ সংঘটন
২৮। সরল বিশ্বাসে কৃতকার্য রক্ষণ
২৯। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩০। আইনের ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশ
৩১। রহিতকরণ ও হেফাজত

বিস্তারিত দেখুন–মানি লণ্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ 

—————

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০১২

( ২০১২ সনের ২ নং আইন )

[জানুয়ারি ১৭, ২০১২]

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ বাতিলক্রমে কতিপয় সংশোধনীসহ উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত
অধ্যাদেশ

যেহেতু মানিলন্ডারিং ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং উহাদের শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৮ নং আইন) বাতিলক্রমে কতিপয় সংশোধনীসহ উহা পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু সংসদ অধিবেশনে নাই এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে;
সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিলেনঃ—

সূচী

ধারাসমূহ

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২ । সংজ্ঞা
৩। অধ্যাদেশের প্রাধান্য
৪। মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড
৫। অবরুদ্ধকরণ বা ক্রোক আদেশ লংঘনের দণ্ড
৬। তথ্য প্রকাশের দণ্ড
৭। তদন্তে বাধা বা অসহযোগিতা, প্রতিবেদন প্রেরণে ব্যর্থতা বা তথ্য সরবরাহে বাধা দেওয়ার দণ্ড
৮। মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড
৯। অপরাধের তদন্ত ও বিচার
১০। স্পেশাল জজ এর বিশেষ এখতিয়ার
১১। অপরাধের আমলযোগ্যতা, অ-আপোষযোগ্যতা ও অ-জামিনযোগ্যতা
১২। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদনের অপরিহার্যতা
১৩। জামিন সংক্রান্ত বিধান
১৪। সম্পত্তির অবরুদ্ধকরণ (Freezing) বা ক্রোক (Attachment) আদেশ
১৫। অবরুদ্ধকৃত বা ক্রোককৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান
১৬। সম্পত্তির অবরুদ্ধকরণ বা ক্রোক আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
১৭। সম্পত্তির বাজেয়াপ্তকরণ
১৮। বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান
১৯। বাজেয়াপ্তকরণ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
২০। বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তির নিষ্পত্তিকরণ প্রক্রিয়া
২১। অবরুদ্ধকৃত, ক্রোককৃত বা বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যবস্থাপক বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ

২২। আপীল
২৩। মানিলন্ডারিং অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
২৪। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) প্রতিষ্ঠা
২৫। মানিলন্ডারিং অপরাধ প্রতিরোধে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার দায়-দায়িত্ব
২৬। বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি
২৭। সত্তা কর্তৃক অপরাধ সংঘটন
২৮। সরল বিশ্বাসে কৃতকার্য রক্ষণ
২৯। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩০। আইনের ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশ
৩১। রহিতকরণ ও হেফাজত

বিস্তারিত— এখানে ক্লিক করুন