অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা আইন ও অধ্যাদেশ, ২০১২


অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা আইন, ২০১২

( ২০১২ সনের ৪ নং আইন )

[ফেব্রুয়ারি ২০,২০১২]

অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা আইন প্রণয়নকল্পে প্রনীত আইন

যেহেতু অপরাধমূলক কার্যের মাধ্যমে অর্জিত বা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত সম্পৃক্ত অথবা সন্ত্রাসী সম্পত্তি ফ্রিজ বা আটক সম্পর্কিত বিষয়সহ অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে অনুসন্ধান, প্রসিকিউশন এবং বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রদান বা গ্রহণের জন্য বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ—

সূচী

ধারাসমূহ

অধ্যায়-১
প্রারম্ভিক
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
অধ্যায় -২
কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ
৩। কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ
৪। কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
৫। উপদেষ্টা বোর্ড
৬। উপদেষ্টা বোর্ডের কার্যপদ্ধতি
৭। সিদ্ধান্তের চূড়ান্ততা
অধ্যায়-৩
সহায়তা প্রদান এবং সহায়তার জন্য অনুরোধ
অংশ-১
সাধারণ বিধানাবলী
৮। সহায়তার পরিধি
৯। সহায়তার অনুরোধ প্রেরণ ও গ্রহণ
১০। সহায়তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান বা স্থগিত রাখা
১১। অনুরোধ কার্যকরকরণ
১২। অন্য আইনে সহায়তা প্রদান
১৩। গোপনীয়তা প্রকাশ না করা
অংশ-২
সহায়তার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি সংক্রান্ত
১৪। অনুসন্ধানের জন্য বিবৃতি ও সাক্ষ্য উপস্থাপন
১৫। বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক সাক্ষ্য (testimony) গ্রহণ
১৬। সাক্ষ্য বা বিবৃতি গ্রহণ সম্পর্কিত বিশেষ বিধানাবলী
১৭। কোন ব্যক্তি, সত্ত্বা (entity) বা বস্তু সনাক্তকরণ
১৮। ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির ব্যবহার
১৯। তল্লাশি এবং আটক
২০। বাংলাদেশে আটক রহিয়াছে এমন ব্যক্তিকে হস্তান্তর
২১। ট্রানজিটকালীন কোন ব্যক্তির হেফাজত
অংশ-৩
ফ্রিজিং ও আটক
এবং বাজেয়াপ্তকরণের অনুরোধ
২২। ফ্রিজিং বা আটকের আদেশ
২৩। বিদেশী আদালতের রায় বলবৎকরণ
২৪। তৃতীয় পক্ষের অধিকার
২৫। অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তির বিলি-বন্দেজ
অংশ—৪
সরকারী দপ্তরের দলিল বা তথ্যাদি সরবরাহ
২৬। সরকারী দপ্তরের দলিল বা তথ্যাদি সরবরাহ
২৭। ফৌজদারী কার্যধারার সূচনা
অংশ-৫
কম্পিউটার সিস্টেম এবং কম্পিউটার ড্যাটা সংক্রান্ত সহযোগিতা
২৮। কম্পিউটার ড্যাটা সংরক্ষণ
২৯। সংরক্ষিত কম্পিউটার ড্যাটা উপস্থাপন
৩০। কম্পিউটার ড্যাটা তল্লাশি এবং আটক।
অধ্যায়-৪
বাংলাদেশ কর্তৃক সহায়তার অনুরোধ

৩১। বাংলাদেশ কর্তৃক সহায়তার অনুরোধ
৩২। নিরাপত্তা হেফাজতে স্থানান্তরিত ব্যক্তি সম্পর্কিত বিশেষ বিধান
৩৩। সহায়তার অনুরোধ অনুসারে বাংলাদেশে অবস্থানকারী ব্যক্তির প্রতি নিরাপদ আচরণ
৩৪। সহায়তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত সাক্ষ্য ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা
অধ্যায়—৫
বিবিধ
৩৫। ব্যয়
৩৬। সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্যতা
৩৭। অনুরোধের ভাষা
৩৮। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩৯। জটিলতা নিরসনে সরকারের ক্ষমতা
৪০। ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
৪১। রহিতকরণ

বিশদ দেখুন এখানে

অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা অধ্যাদেশ, ২০১২

( ২০১২ সনের ১ নং অধ্যাদেশ)

[১৭ জানুয়ারি , ২০১২]

অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তার বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত
অধ্যাদেশ

যেহেতু অপরাধমূলক কার্যের মাধ্যমে অর্জিত বা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত সম্পৃক্ত অথবা সন্ত্রাসী সম্পত্তি ফ্রিজ বা আটক সম্পর্কিত বিষয়সহ অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে অনুসন্ধান, প্রসিকিউশন এবং বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রদান বা গ্রহণের জন্য বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু সংসদ অধিবেশনে নাই এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে:
সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিলেনঃ—

সূচী

ধারাসমূহ

অধ্যায়—১
প্রারম্ভিক
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
অধ্যায় -২
কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ
৩।কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ
৪। কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
৫। উপদেষ্টা বোর্ড
৬। উপদেষ্টা বোর্ডের কার্য-পদ্ধতি
৭। সিদ্ধান্তের চূড়ান্ততা
অধ্যায়-৩
সহায়তা প্রদান এবং সহায়তার জন্য অনুরোধ
অংশ-১
সাধারণ বিধানাবলী
৮। সহায়তার পরিধি
৯। সহায়তার অনুরোধ প্রেরণ ও গ্রহণ
১০। সহায়তার অনুরোধ প্রত্যাখান বা স্থগিত রাখা
১১। অনুরোধ কার্যকরকরণ
১২। অন্য আইনে সহায়তা প্রদান
১৩। গোপনীয়তা প্রকাশ না করা

অংশ-২
সহায়তার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি সংক্রান্ত
১৪। অনুসন্ধানের জন্য বিবৃতি ও সাক্ষ্য উপস্থাপন
১৫। বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক সাক্ষ্য (testimony) গ্রহণ
১৬। সাক্ষ্য বা বিবৃতি গ্রহণ সম্পর্কিত বিশেষ বিধানাবলী
১৭। কোন ব্যক্তি, সত্তা (entity) বা বস্ত্ত সনাক্তকরণ
অংশ-১
সাধারণ বিধানাবলী
১৮। ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির ব্যবহার
অংশ-২
সহায়তার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি সংক্রান্ত
১৯। তল্লাশি এবং আটক
২০। বাংলাদেশে আটক রহিয়াছে এমন ব্যক্তিকে হস্তান্তর
২১। ট্রানজিটকালীন কোন ব্যক্তির হেফাজত
অংশ-৩
ফ্রিজিং ও আটক
এবং বাজেয়াপ্তকরণের অনুরোধ
২২। ফ্রিজিং বা আটকের আদেশ
২৩। বিদেশী আদালতের রায় বলবৎকরণ
২৪। তৃতীয় পক্ষের অধিকার
২৫। অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তির বিলি-বন্দেজ
অংশ-৪
সরকারি দপ্তরের দলিল বা তথ্যাদি সরবরাহ
২৬। সরকারি দপ্তরের দলিল বা তথ্যাদি সরবরাহ
২৭। ফৌজদারী কার্যধারার সূচনা
অংশ-৫
কম্পিউটার সিস্টেম এবং কম্পিউটার ড্যাটা সংক্রান্ত সহযোগিতা
২৮। কম্পিউটার ড্যাটা সংরক্ষণ
২৯।সংরক্ষিত কম্পিউটার ড্যাটা উপস্থাপন
৩০। কম্পিউটার ড্যাটা তল্লাশি এবং আটক
অধ্যায়-৪
বাংলাদেশ কর্তৃক সহায়তার অনুরোধ

৩১। বাংলাদেশ কর্তৃক সহায়তার অনুরোধ
৩২। নিরাপত্তা হেফাজতে স্থানান্তরিত ব্যক্তি সম্পর্কিত বিশেষ বিধান
৩৩। সহায়তার অনুরোধ অনুসারে বাংলাদেশে অবস্থানকারী ব্যক্তির প্রতি নিরাপদ আচরণ
৩৪। সহায়তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত সাক্ষ্য ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা
অধ্যায়-৫
বিবিধ
৩৫। ব্যয়
৩৬। সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্যতা
৩৭। অনুরোধের ভাষা
৩৮। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩৯। জটিলতা নিরসনে সরকারের ক্ষমতা
৪০। ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ

বিস্তারিত জানতে—এখানে ক্লিক করুন

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও অধ্যাদেশ, ২০১২


মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২

( ২০১২ সনের ৫ নং আইন )

[ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১২]

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদ্‌সংক্রান্ত
আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন

যেহেতু মানিলন্ডারিং ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং উহাদের শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদ্‌সংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ

সূচী

ধারাসমূহ

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২ । সংজ্ঞা
৩। আইনের প্রাধান্য
৪। মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড
৫। অবরুদ্ধকরণ বা ক্রোক আদেশ লংঘনের দণ্ড
৬। তথ্য প্রকাশের দণ্ড
৭। তদন্তে বাধা বা অসহযোগিতা, প্রতিবেদন প্রেরণে ব্যর্থতা বা তথ্য সরবরাহে বাধা দেওয়ার দণ্ড
৮। মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড
৯। অপরাধের তদন্ত ও বিচার
১০। স্পেশাল জজ এর বিশেষ এখতিয়ার
১১। অপরাধের আমলযোগ্যতা, অ-আপোষযোগ্যতা ও অ-জামিনযোগ্যতা
১২। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদনের অপরিহার্যতা
১৩। জামিন সংক্রান্ত বিধান
১৪। সম্পত্তির অবরুদ্ধকরণ (Freezing) বা ক্রোক (Attachment) আদেশ
১৫। অবরুদ্ধকৃত বা ক্রোককৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান
১৬। সম্পত্তির অবরুদ্ধকরণ বা ক্রোক আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
১৭। সম্পত্তির বাজেয়াপ্তকরণ
১৮। বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান
১৯। বাজেয়াপ্তকরণ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
২০। বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তির নিষ্পত্তিকরণ প্রক্রিয়া
২১। অবরুদ্ধকৃত, ক্রোককৃত বা বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যবস্থাপক বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
২২। আপীল
২৩। মানিলন্ডারিং অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
২৪। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) প্রতিষ্ঠা
২৫। মানিলন্ডারিং অপরাধ প্রতিরোধে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার দায়-দায়িত্ব
২৬। বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি
২৭। সত্তা কর্তৃক অপরাধ সংঘটন
২৮। সরল বিশ্বাসে কৃতকার্য রক্ষণ
২৯। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩০। আইনের ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশ
৩১। রহিতকরণ ও হেফাজত

বিস্তারিত দেখুন–মানি লণ্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ 

—————

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০১২

( ২০১২ সনের ২ নং আইন )

[জানুয়ারি ১৭, ২০১২]

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ বাতিলক্রমে কতিপয় সংশোধনীসহ উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত
অধ্যাদেশ

যেহেতু মানিলন্ডারিং ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং উহাদের শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৮ নং আইন) বাতিলক্রমে কতিপয় সংশোধনীসহ উহা পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু সংসদ অধিবেশনে নাই এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে;
সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিলেনঃ—

সূচী

ধারাসমূহ

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২ । সংজ্ঞা
৩। অধ্যাদেশের প্রাধান্য
৪। মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড
৫। অবরুদ্ধকরণ বা ক্রোক আদেশ লংঘনের দণ্ড
৬। তথ্য প্রকাশের দণ্ড
৭। তদন্তে বাধা বা অসহযোগিতা, প্রতিবেদন প্রেরণে ব্যর্থতা বা তথ্য সরবরাহে বাধা দেওয়ার দণ্ড
৮। মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড
৯। অপরাধের তদন্ত ও বিচার
১০। স্পেশাল জজ এর বিশেষ এখতিয়ার
১১। অপরাধের আমলযোগ্যতা, অ-আপোষযোগ্যতা ও অ-জামিনযোগ্যতা
১২। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদনের অপরিহার্যতা
১৩। জামিন সংক্রান্ত বিধান
১৪। সম্পত্তির অবরুদ্ধকরণ (Freezing) বা ক্রোক (Attachment) আদেশ
১৫। অবরুদ্ধকৃত বা ক্রোককৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান
১৬। সম্পত্তির অবরুদ্ধকরণ বা ক্রোক আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
১৭। সম্পত্তির বাজেয়াপ্তকরণ
১৮। বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান
১৯। বাজেয়াপ্তকরণ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
২০। বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তির নিষ্পত্তিকরণ প্রক্রিয়া
২১। অবরুদ্ধকৃত, ক্রোককৃত বা বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যবস্থাপক বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ

২২। আপীল
২৩। মানিলন্ডারিং অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
২৪। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) প্রতিষ্ঠা
২৫। মানিলন্ডারিং অপরাধ প্রতিরোধে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার দায়-দায়িত্ব
২৬। বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি
২৭। সত্তা কর্তৃক অপরাধ সংঘটন
২৮। সরল বিশ্বাসে কৃতকার্য রক্ষণ
২৯। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩০। আইনের ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশ
৩১। রহিতকরণ ও হেফাজত

বিস্তারিত— এখানে ক্লিক করুন

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫( ১৯৯৫ সনের ১ নং আইন )


পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশগত মান উন্নয়ন এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রশমনকল্পে প্রণীত আইন৷
 
যেহেতু পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশগত মান উন্নয়ন এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রশমনকল্পে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-
 

সূচী

ধারাসমূহ
 

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ও প্রবর্তন
২৷ সংজ্ঞা
২ক৷ আইনের প্রাধান্য
৩৷ পরিবেশ অধিদপ্তর
৪৷ মহাপরিচালকের ক্ষমতা ও কার্যাবলী
৪ক৷ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সহায়তা গ্রহণ
৫৷ প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা
৬৷ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ধোঁয়া সৃষ্টিকারী যানবাহন সম্পর্কে বাধা-নিষেধ
৬ক৷ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সামগ্রী উত্পাদন, বিক্রয় ইত্যাদির উপর বাধা-নিষেধ
৬খ। পাহাড় কাটা সম্পর্কে বাধা-নিষেধ
৬গ। ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য উৎপাদন, আমদানী, মওজুদকরণ, বোঝাইকরণ, পরিবহণ, ইত্যাদি সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ
৬ঘ। জাহাজ কাটা বা ভাঙ্গার কারণে সৃষ্ট দূষণ সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ
৬ঙ। জলাধার সম্পর্কিত বাধা-নিষেধ।
৭৷ প্রতিবেশ ব্যবস্থার ক্ষতির ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ
৮৷ পরিবেশ দূষণ বা অবক্ষয় সম্পর্কে মহাপরিচালককে অবহিতকরণ
৯৷ অতিরিক্ত পরিবেশ দুষক নির্গমন ইত্যাদি
১০৷ প্রবেশ ইত্যাদির ক্ষমতা
১১৷ নমুনা সংগ্রহের ক্ষমতা ইত্যাদি
১২৷ পরিবেশগত ছাড়পত্র
১৩৷ পরিবেশ নির্দেশিকা প্রণয়ন
১৪৷ আপীল
১৫৷ দণ্ড
১৫ক৷ অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট বস্তু, যন্ত্রপাতি বাজেয়াপ্তি
১৫খ। অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট বস্তু যন্ত্রপাতি বাজেয়াপ্তি
১৬৷ কোম্পানী কর্তৃক অপরাধ সংঘটন
১৭। ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের
১৮৷ সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ
১৯৷ ক্ষমতা অর্পণ
২০৷ বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
২১৷ রহিতকরণ ও হেফাজত
 বিস্তারির–এখানে ক্লিক করুন
 

 

কোষ্ট গার্ড আইন, ১৯৯৪( ১৯৯৪ সনের ২৬ নং আইন )


কোষ্ট গার্ড বাহিনী গঠনকল্পে বিধান প্রণয়নের জন্য প্রণীত আইন৷
 
যেহেতু বাংলাদেশের সামুদ্রিক এলাকা এবং কতিপয় অন্যান্য জলসীমা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঐ সকল এলাকায় জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজন;
সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-
 

সূচী

ধারাসমূহ
 

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা
২৷ সংজ্ঞা
৩৷ আইনের প্রাধান্য
৪৷ কোষ্ট গার্ড অধিদপ্তর
৫৷ কোষ্ট গার্ড গঠন
৬৷ তত্ত্বাবধান, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ
৭৷ বাহিনীর কার্যাবলী
৮৷ বাহিনীর সদস্যগণের দায়িত্ব
৯৷ বাহিনীর শৃংখলা
১০৷ বাহিনীর সদস্যদের ক্ষমতা
১১৷ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ইত্যাদি সোপর্দকরণ
১২৷ ক্ষমতা অর্পণ
১৩৷ বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
১৪৷ প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
১৫৷ সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ

বিস্তারিত–এখানে ক্লিক করুন

 

মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ ( ১৯৯১ সনের ২২ নং আইন )


পণ্য ও সেবার উপর মূল্য সংযোজন কর আরোপের বিধানকরণকল্পে প্রণীত আইন৷
 
যেহেতু মূল্য সংযোজন কর আরোপ করার উদ্দেশ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
 

সূচী

ধারাসমূহ
 

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা,[প্রয়োগ] ও প্রবর্তন
২৷ সংজ্ঞা
২ক। আইনের প্রাধান্য
৩৷ মূল্য সংযোজন কর আরোপ
৪৷ কর হার প্রয়োগ
৫৷ মূল্য সংযোজন কর ধার্যের জন্য মূল্য নিরূপণ
৬৷ পরিশোধের সময় ও পদ্ধতি
৭৷ সম্পূরক শুল্ক আরোপ
৮৷ টার্ণওভার কর
৮ক৷ [বিলুপ্ত ]
৮খ৷ [বিলুপ্ত ]
৮গ৷ [বিলুপ্ত ]
৮ঘ৷ বৃহত্ করদাতা ইউনিট গঠন
৯৷ কর রেয়াত
১০৷ উত্পাদ কর প্রদান পরবর্তীকালে হিসাবে সংশোধন
১১৷ উদ্বৃত্ত উপকরণ করের নিষ্পত্তি
১২৷ আইন প্রবর্তনের সময়ে মজুদ বাবদ উপকরণ কর রেয়াত
১৩৷ রপ্তানিকৃত পণ্য প্রস্তুতে বা উত্পাদনে ব্যবহৃত উপকরণের উপর প্রদত্ত কর [প্রত্যর্পণ]
১৪৷ অব্যাহতি
১৫৷ নিবন্ধন
১৬৷ নিবন্ধন হইতে অব্যাহতি
১৭৷ স্বেচ্ছা নিবন্ধন
১৮৷ নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্যের পরিবর্তন
১৯৷ নিবন্ধন বাতিলকরণ
২০৷ মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তাগণের নিয়োগ
২১৷ ক্ষমতা
২২৷ ক্ষমতা অর্পণ
২৩৷ মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তাগণের দায়িত্ব অন্য কর্মকর্তাগণের উপর      ন্যস্তকরণ
২৪৷ মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তাকে সহায়তা প্রদান
২৪ক। মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তা কর্তৃক সহায়তা প্রদান
২৫৷ সমন প্রেরণের ক্ষমতা
২৬৷ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের ঘরবাড়ীতে প্রবেশ, মজুদ পণ্য পরিদর্শন এবং হিসাব ও নথিপত্র পরীক্ষা করার অধিকার
২৬ক। ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক নিরীক্ষার আদেশদান ও বোর্ড কর্তৃক নিরীক্ষক নিয়োগ
২৬খ। তত্ত্বাবধানাধীন সরবরাহ (Supervised Supply), পর্যবেক্ষণ ও নজরদারী সংক্রান্ত বিধান
২৭৷ বাজেয়াপ্তযোগ্য পণ্য আটক
২৮৷ আটককৃত পণ্যের ব্যবস্থাপনা
২৯৷ পণ্য বিক্রয় ও বিক্রয়লব্ধ অর্থের বিলিবন্দেজ
৩০৷ বাজেয়াপ্তকৃত পণ্যের ব্যবস্থাপনা
৩১৷ হিসাব রক্ষণ
৩২৷ কর চালানপত্র
৩৩৷ নথিপত্র সংরক্ষণের মেয়াদ
৩৪৷ নথিপত্র ইত্যাদি পেশকরণ
৩৪ক। মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত দলিলপত্রের প্রত্যায়িত প্রতিলিপি প্রদান
৩৫৷ দাখিলপত্র পেশকরণ
৩৬৷ দাখিলপত্রের পরীক্ষা
৩৬ক। মুল্য সংযোজন কর সম্মাননাপত্র
৩৭৷ অপরাধ ও দণ্ডসমূহ
৩৭ক। স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারকার্য পরিচালনা
৩৭খ। স্পেশাল জজ এর বিশেষ এখতিযার
৩৮৷ বাজেয়াপ্তকরণ
৩৯৷ বাজেয়াপ্তির সীমা
৪০৷ ন্যায় নির্ণয়নের ক্ষমতা
৪১৷ বাজেয়াপ্তির পরিবর্তে জরিমানা আরোপ
৪১ক। বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তি
৪১খ। বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার প্রয়োগ ও প্রবর্তন
৪১গ। বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তির আওতা ও পরিধি
৪১ঘ। বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তাকারী(Facilitator)নিয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষসমুহের দায়-দায়িত্ব
৪১ঙ। বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তির জন্য আবেদনপত্র দাখিল
৪১চ। বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তির জন্য আবেদনসমুহ প্রক্রিয়াকরণ ও নিষ্পত্তি
৪১ছ। সমঝোতা(Negotiation) এবং নিষ্পত্তির সময়সীমা
৪১জ। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত
৪১ঝ। মতৈক্যের ভিত্তিতে বিরোধ-নিষ্পত্তির ফলাফল
৪১ঞ। বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তির মাধ্যমে সিদ্ধান্তেত্ম উপনীত না হওয়ার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান
৪১ট। অধিকার সংরক্ষণ
৪২৷ আপীল
৪৩৷ বোর্ডের নথিপত্র, ইত্যাদি তলব ও পরীক্ষার ক্ষমতা
৪৪৷ বোর্ডের ভুল, ইত্যাদি সংশোধনের ক্ষমতা
৪৫৷ সরকারের পুনরীক্ষণের ক্ষমতা
৪৬৷ ক্ষমতাপ্রাপ্ত[ প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিতি]
৪৭৷ সরকারের নথিপত্র, ইত্যাদি তলব ও পরীক্ষার ক্ষমতা
৪৮৷ তল্লাশীর ক্ষমতা
৪৮ক। মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ
৪৯৷ গ্রেফতারের ক্ষমতা
৫০৷ যে সকল অপরাধের ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতার করা যাইবে না
৫১৷ তল্লাশী ও গ্রেফতার পদ্ধতি
৫২৷ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের ব্যবস্থাপনা
৫৩৷ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুসরণীয় পদ্ধতি
৫৪৷ ধারা ৫২ এর অধীন প্রেরিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তা কর্তৃক তদন্ত পদ্ধতি
৫৫৷ [অনাদায়ী ও কম পরিশোধিত মূল্য সংযোজন করসহ অন্যান্য [শুল্ক-কর] আদায়]
৫৬৷ সরকারের পাওনা আদায়
৫৭৷ আদেশ, সিদ্ধান্ত, ইত্যাদি জারী
৫৮৷ প্রমাণিত অবহেলা বা স্বেচ্ছাচারমূলক কার্যের জন্য ব্যতীত ক্ষতি বা অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদেয় হইবে না
৫৯৷ মালিকানা হস্তান্তর
৬০৷ মূল্য সংযোজন কর আইনের ক্ষেত্রে অন্যান্য আইনের প্রয়োগ
৬১৷ আদালতের এখ্‌তিয়ার বারিত
৬২৷ সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ
৬২ক। তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষণ
৬৩৷ মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি
৬৪৷ দেউলিয়া ব্যক্তির দায়
৬৫৷ অসুবিধা দূরীকরণ
৬৬৷ মূল্য সংযোজন কর পরিশোধ ব্যতিরেকে কতিপয় পণ্য খালাস এবং কতিপয় পণ্যের মূল্য সংযোজন কর প্রত্যর্পণের ক্ষমতা
৬৭৷ [ফেরত্ প্রদান (Refund)]
৬৮৷ আমদানিকৃত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ড্র-ব্যাক
৬৯৷ আমদানি ও রপ্তানির মধ্যবর্তী সময়ে ব্যবহৃত পণ্য বাবদ ড্র-ব্যাক
৭০৷ যে ক্ষেত্রে কোন ড্র-ব্যাক মঞ্জুর করা হইবে না
৭০ক। মূল্য সংযোজন কর তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, ইত্যাদি
৭১৷ করণিক ত্রুটি সংশোধন, ইত্যাদি
৭১ক৷ সরকারী পাওনা অবলোপনের ক্ষমতা
৭১কক৷ কর ফাঁকি, আইন লংঘন ইত্যাদির উদ্‌ঘাটনের জন্য পুরস্কার প্রদান
৭১খ। মূল্য সংযোজন কর কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে আর্থিক প্রণোদনা প্রদান।
৭১গ। কর ফেরত প্রদান এবং পুরস্কার ও আর্থিক প্রণোদনা সংক্রান্ত তহবিল
৭২৷ বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৭২ ক ।ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ, ইত্যাদি
৭৩৷ রহিতকরণ ও হেফাজত
বিস্তারিত–এখানে ক্লিক করুন

 

গণভোট আইন, ১৯৯১( ১৯৯১ সনের ২৫ নং আইন )


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্ত্মাবনার অথবা ৮, ৪৮, ৫৬, ৫৮, ৮০, ৯২ক বা ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধনের ব্যবস্থা করিয়া কোন বিল উক্ত সংবিধানের ১৪২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে গৃহীত হইবার পর উহাতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিবেন কি করিবেন না এই প্রশ্নটি যাচাইয়ের জন্য গণভোটের বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন৷
 
যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্ত্মাবনার অথবা ৮, ৪৮, ৫৬, ৫৮, ৮০, ৯২ক বা ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধনের ব্যবস্থা করিয়া কোন বিল উক্ত সংবিধানের ১৪২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে গৃহীত হইবার পর উহাতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিবেন কি করিবেন না এই প্রশ্নটি যাচাইয়ের জন্য সংবিধানের ১৪২(১ক) অনুচেছদ মোতাবেক গণভোটের বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
 

সূচী

 
ধারাসমূহ
 

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা
২৷ সংজ্ঞা
৩৷ কমিশন কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারী
৪৷ রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ
৫৷ ভোটকেন্দ্র
৬৷ প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ
৭৷ ভোটার এবং ভোটার তালিকা
৮৷ ভোট গ্রহণের সময়
৯৷ মুলতবী ভোটগ্রহণ
১০৷ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ
১১৷ ব্যালট বাক্স
১২৷ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ
১৩৷ ভোটকেন্দ্রের শৃংখলা রক্ষা
১৪৷ ভোটদান পদ্ধতি
১৫৷ নষ্ট ব্যালট পেপার
১৬৷ ভোটগ্রহণের সময় অতিবাহিত হইবার পর ভোটদান
১৭৷ ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পর অনুসরণযোগ্য পদ্ধতি
১৮৷ ফলাফল একীভূতকরণ
১৯৷ ফলাফল একীভূতকরণ এবং ঘোষণা
২০৷ নির্বাচন কমিশনের আদেশ জারী করার ক্ষমতা
২১৷ কমিশনকে সহায়তা প্রদান
২২৷ দায়মুক্তি
২৩৷ কতিপয় বিষয়ে কমিশন কর্তৃক নির্দেশ প্রদান
২৪৷ বিধি প্রণয়ন

বিশদ জানতে—- এখানে ক্লিক করুন