পরিবেশ আদালত আইন, ২০১০


পরিবেশ আদালত আইন, ২০১০

( ২০১০ সনের ৫৬ নং আইন )

যেহেতু পরিবেশ সংক্রান্ত অপরাধের বিচার ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে আদালত প্রতিষ্ঠা ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রচলিত আইনের সংশোধন ও সংহতকরণকল্পে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-

সূচী

ধারাসমূহ

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
৩। আইনের প্রাধান্য
৪। পরিবেশ আদালত প্রতিষ্ঠা
৫। স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত প্রতিষ্ঠা
৬। স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের এখতিয়ার
৭। পরিবেশ আদালতের এখতিয়ার
৮। আদালতের নির্দেশ অমান্যকরণ, ইত্যাদির দন্ড
৯। স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক অপরাধের বিচার
১০। স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচার পদ্ধতি
১১। প্রবেশ, আটক, ইত্যাদির ক্ষমতা
১২। অপরাধের অনুসন্ধান, মামলা দায়ের এবং তদমত্ম পদ্ধতি
১৩। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সহায়তা গ্রহণ
১৪। পরিবেশ আদালতের কার্যপদ্ধতি ও ক্ষমতা
১৫। অর্থদন্ড হইতে খরচ বা ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষমতা
১৬। অর্থদন্ড আদায়ের পদ্ধতি
১৭। পরিবেশ আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা
১৮। আপোস মীমাংসা
১৯। আপীল
২০। পরিবেশ আপীল আদালত
২১। মামলা স্থানান্তর
২২। বিচারাধীন মামলা
২৩। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
২৪। রহিতকরণ ও হেফাজত

বিস্তারিত দেখুন—এখানে ক্লিল করুন

ক্যাডার বহির্ভূত প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা (শুল্ক, আবগারী ও ভ্যাট) নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী আইন, ২০০০


ক্যাডার বহির্ভূত প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা (শুল্ক, আবগারী ও ভ্যাট) নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী আইন, ২০০০

( ২০০০ সনের ২০ নং আইন )

[৬ জুলাই, ২০০০]

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধঃস্তন সকল শুল্কভবন, শুল্ক, আবগারী ও ভ্যাট কমিশনারেট এবং পরিদপ্তরের ক্যাডার বহির্ভূত প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর কতিপয় গেজেটেড কর্মকর্তার নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী নির্ধারণকল্পে প্রণীত আইন৷

যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে সংসদ প্রজাতন্ত্রের কর্মে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করিয়া আইন প্রণয়ন করিতে পারেন; এবং

যেহেতু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধঃস্তন সকল শুল্কভবন, শুল্ক, আবগারী ও ভ্যাট কমিশনারেট এবং পরিদপ্তরের ক্যাডার বহির্ভূত প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর কতিপয় গেজেটেড কর্মকর্তার নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী নির্ধারণকল্পে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজন;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্্নরূপ আইন করা হইল:-

সূচী

ধারাসমূহ

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা
২৷ সংজ্ঞা
৩৷ আইনের প্রাধান্য
৪৷ নিয়োগ পদ্ধতি
৫৷ সরাসরি নিয়োগ
৬৷ পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ
৭৷ শিক্ষানবিসী
৮৷ বদলী ইত্যাদি
৯৷ চাকুরীর সাধারণ শর্তাবলী
১০৷ বেতন, ভাতা, ইত্যাদি
১১৷ শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা
১২৷ বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
১৩৷ কতিপয় বিধি সংশোধন ও হেফাজত

বিস্তারিত দেখুন– এখানে ক্লিক করুন

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০০১


 
অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০০১
( ২০০১ সনের ১৬ নং আইন )
[১১ এপ্রিল, ২০০১]
 
 
 
অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত কতিপয় সম্পত্তি বাংলাদেশী মূল মালিক বা তাহার বাংলাদেশী উত্তরাধিকারী বা উক্ত মূল মালিক বা উত্তরাধিকারীর বাংলাদেশী স্বার্থাধিকারী (Successor-in-interest) এর নিকট প্রত্যর্পণ এবং আনুষংগিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন৷
 
যেহেতু অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত কতিপয় সম্পত্তি বাংলাদেশী মূল মালিক বা তাহার বাংলাদেশী উত্তরাধিকারী বা উক্ত মূল মালিক বা উত্তরাধিকারীর বাংলাদেশী স্বার্থাধিকারী (Successor-in-interest) এর নিকট প্রত্যর্পণ এবং আনুষংগিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

 
সূচী
ধারাসমূহ
 
১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা
২৷ সংজ্ঞা
৩৷ আইনের প্রাধান্য
৪৷ দেওয়ানী কার্যবিধির সীমিত প্রয়োগ
৫৷ মালিক, প্রমুখের নিকট প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি প্রত্যর্পণ এবং ইহার ফলাফল
৬৷ কতিপয় সম্পত্তি [প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তির তালিকায়] অন্তর্ভুক্তি নিষিদ্ধ
৭৷ [প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তির দাবীতে নূতন মামলা দায়ের বা দাবী উত্থাপন নিষিদ্ধ
৮। [প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তির হস্তান্তর নিষিদ্ধ
৯৷[প্রত্যর্পণযোগ্য ]সম্পত্তির তালিকা প্রকাশ
৯ক। [***]
৯খ।[***]
৯খখ। [***]
৯গ। [***]
৯ঘ। [***]
১০৷ [প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তি প্রত্যর্পণ বা অবমুক্তির আবেদন, রেজিষ্ট্রি, রায় ও রায়ের অনুলিপি
১১৷ ডিক্রী বাস্তবায়ন
১২৷ অবমুক্তির সিদ্ধান্তের আইনগত প্রকৃতি
১৩৷ [প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলার abatement, কার্যধারা বন্ধ ও ট্রাইব্যুনালে দাবী উত্থাপন
১৪৷ অস্থায়ী ইজারা প্রদত্ত [প্রত্যর্পণযোগ্য] সম্পত্তি সম্পর্কিত বিধান
১৫৷ প্রত্যর্পণযোগ্য জনহিতকর সম্পত্তি সম্পর্কিত বিধান
১৬৷ ট্রাইব্যুনাল স্থাপন ও উহার গঠন
১৭৷ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার
১৮৷ আপীল
১৯। অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আপীল ট্রাইবুনাল স্থাপন ও উহার গঠন।
২০৷ আপীল ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার
২০ক। [***]
২১। [***]
২২। [ট্রাইব্যুনাল ও আপীল ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি]
২৩৷ একতরফা শুনানী ও একতরফা খারিজ সম্পর্কিত বিশেষ বিধান
২৪৷ সাক্ষ্য গ্রহণ, সাক্ষীর উপস্থিতি ও দলিল উপস্থাপন নিশ্চিতকরণ
২৫৷ বিধানের অপর্যাপ্ততার ক্ষেত্রে [ট্রাইব্যুনাল ও আপীল ট্রাইব্যুনালের]বিশেষ এখতিয়ার
২৬৷ অ-দাবীকৃত সম্পত্তি সংক্রান্ত বিধান
২৭। ক্রয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার
২৮৷ অর্পিত সম্পত্তি বাবদ ক্ষতিপূরণ বা অন্যবিধ দাবী নিষিদ্ধ
২৮ক। ‘খ’ তফসিল বিলুপ্তি, ইত্যাদি সম্পর্কিত বিশেষ বিধান।
২৯৷ সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ
৩০৷ বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩১৷ বিচারিক কার্যক্রম
৩২৷ অপরাধ ও দণ্ড
৩৩৷ রহিতকরণ

সম্পূর্ণ আইন এখানে 

কপিরাইট আইন, ২০০০


কপিরাইট আইন, ২০০০

( ২০০০ সনের ২৮ নং আইন )

[১৮ জুলাই, ২০০০]

কপিরাইট আইন সংশোধন ও সংহতকরণকল্পে প্রণীত আইন৷

যেহেতু কপিরাইট বিষয়ে প্রচলিত আইনের সংশোধন ও সংহতকরণ সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্্নরূপ আইন করা হইল:-

সূচী

ধারাসমূহ

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনামা, প্রয়োগ এবং প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
৩। প্রকাশনার অর্থ
৪। কর্ম প্রকাশিত বা প্রকাশ্যে সম্পাদনকৃত বলিয়া গণ্য না হওয়া
৫। বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশিত বলিয়া গণ্য কর্ম
৬। কতিপয় বিরোধ বোর্ড কতর্ৃক নিষ্পত্তিতব্য
৭। অপ্রকাশিত কর্মের সময়সীমা পর্যাপ্ত হওয়ার ক্ষেত্রে গ্রন্থকারের জাতীয়তা
৮। সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা স্থায়ী আবাস
অধ্যায়-২
কপিরাইট অফিস, রেজিষ্ট্রার অব কপিরাইট এবং কপিরাইট বোর্ড
৯। কপিরাইট অফিস
১০। কপিরাইট রেজিষ্ট্রার ও ডেপুটি রেজিষ্ট্রার
১১। কপিরাইট বোর্ড
১২। বোর্ডের ক্ষমতা ও কার্যপদ্ধতি
অধ্যায়-৩
কপিরাইট
১৩। এই আইনের বিধান বহির্ভূত কপিরাইট থাকিবে না
১৪। কপিরাইটের অর্থ
১৫। কপিরাইট থাকে এমন কর্ম
১৬। ১৯১১ সনের ২ নং আইনের অধীন নিবন্ধিত বা নিবন্ধিতব্য ডিজাইন সম্পর্কিত কপিরাইট
অধ্যায়-৪
কপিরাইটের স্বত্ব এবং মালিকদের অধিকার
১৭। কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী
১৮। কপিরাইটের স্বত্ব নিয়োগ
১৯। স্বত্ব নিয়োগের ধরন
২০। কপিরাইটের [স্বত্ব নিয়োগী ] বিষয়ক বিরোধ
২১। [পান্ডুলিপির ] কপিরাইট উইলমূলে হস্তান্তর
২২। স্বত্বাধিকারীর কপিরাইট পরিত্যাগের অধিকার
২৩। মূল অনুলিপির পুনঃবিক্রয়ের শেয়ার
অধ্যায়-৫
কপিরাইটের মেয়াদ
২৪। প্রকাশিত সাহিত্য, নাট্য, সংগীত ও শিল্প কর্মে কপিরাইটের মেয়াদ
২৫। মরণোত্তর কর্মে কপিরাইটের মেয়াদ
২৬। চলচ্চিত্র ফিল্মের কপিরাইটের মেয়াদ
২৭। শব্দ রেকর্ডিংয়ের কপিরাইটের মেয়াদ
২৮। ফটোগ্রাফের কপিরাইটের মেয়াদ
২৮ক। কম্পিউটার সৃষ্ট কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ
২৯। বেনামী এবং ছদ্মনাম বিশিষ্ট কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ
৩০। সরকারী কর্মে কপিরাইটের মেয়াদ
৩১। স্থানীয় কতর্ৃপক্ষের কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ
৩২। আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ
অধ্যায়-৬
সম্প্রচার সংস্থা এবং সম্পাদনকারীর অধিকার
৩৩। সমপ্রচার পুনরুৎপাদনের অধিকার
৩৪। অন্যদের অধিকার ক্ষুণ্ন না হওয়া
৩৫। সম্পাদনকারীর অধিকার
৩৬। সমপ্রচার পুনরুৎপাদন অধিকার বা সম্পাদনকারীর অধিকার লংঘন করে না এমন কার্য
৩৭। সমপ্রচার পুনরুৎপাদন অধিকার এবং সম্পাদনকারীর অধিকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্যান্য বিধান
অধ্যায়-৭
প্রকাশিত কর্মের সংস্করণের অধিকার
৩৮। মুদ্রণশৈলী সংরক্ষণ এবং সংরক্ষণের মেয়াদ
৩৮ক। শাস্তি
৩৮খ। এই অধ্যায়ে বর্ণিত অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ
৩৯। লঙ্ঘন ইত্যাদি
৪০। কপিরাইটের সহিত সম্বন্ধ
অধ্যায়-৮
কপিরাইট সমিতি
৪১। কপিরাইট সমিতির নিবন্ধন
৪২। কপিরাইট সমিতি কতর্ৃক মালিকদের অধিকার নির্বাহ
৪৩। কপিরাইট সমিতি কতর্ৃক পারিশ্রমিক প্রদান
৪৪। কপিরাইট সমিতির উপর কপিরাইট মালিকদের নিয়ন্ত্রণ
৪৫। রিটার্ণ এবং প্রতিবেদন
৪৬। হিসাব এবং নিরীক্ষা
৪৭। অব্যাহতি
অধ্যায়-৯
লাইসেন্স
৪৮। কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী প্রদত্ত লাইসেন্স
৪৯। ধারা ১৯ এবং ২০ এর প্রয়োগ
৫০। জনসাধারণের নিকট বারিত কর্মের বাধ্যতামূলক লাইসেন্স
৫১। অপ্রকাশিত বাংলাদেশী কর্মের বাধ্যতামূলক লাইসেন্স
৫২। [ অনুবাদ বা অভিযোজন ] তৈরী ও প্রকাশের লাইসেন্স
৫৩। কতিপয় উদ্দেশ্যে কর্ম পুনরুৎপাদন এবং প্রকাশ করার লাইসেন্স
৫৪। এই অধ্যায়ের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সের বাতিলকরণ
অধ্যায়-১০
কপিরাইট রেজিষ্ট্রেশন
৫৫। কপিরাইটের রেজিষ্ট্রার, ইনডেঙ্, ফরম এবং রেজিষ্টার পরিদর্শন
৫৬। কপিরাইট রেজিষ্ট্রেশন
৫৭। কপিরাইটের স্বত্বনিয়োগ, ইত্যাদির রেজিষ্ট্রেশন
৫৮। কপিরাইটের রেজিষ্টারের অন্তভর্ুক্তি এবং ইনডেঙ্ ইত্যাদির সংশোধন
৫৯। কপিরাইট বোর্ড কতর্ৃক রেজিষ্টার সংশোধন
৬০। কপিরাইট রেজিষ্টারে অন্তভর্ুক্ত বিবরণ আপাতঃ পর্যাপ্ত সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হওয়া
৬১। কপিরাইট রেজিষ্টারের অন্তভর্ুক্তি ইত্যাদি প্রকাশ করা
১ অধ্যায়-১১
জাতীয় গ্রন্থাগারে পুস্তক এবং সংবাদপত্র সরবরাহ
৬২। [ জাতীয় গ্রন্থাগারে] পুস্তক সরবরাহ
৬৩। [ জাতীয় গ্রন্থাগারে ] সাময়িকী ও সংবাদপত্র সরবরাহ
৬৪। সরবরাহকৃত পুস্তকের রসিদ
৬৫। শাস্তি
৬৬। এই অধ্যায়ের অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ
৬৭। সরকার কতর্ৃক প্রকাশিত পুস্তক, সাময়িকী ও সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে অধ্যায়ের প্রয়োগ
অধ্যায়-১২
আন্তর্জাতিক কপিরাইট
৬৮। কতিপয় আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্ম সম্পর্কিত বিধান
৬৯। বিদেশী কর্মে কপিরাইট সমপ্রসারণ করার ক্ষমতা
৭০। বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশিত বিদেশী প্রণেতার কর্মের স্বত্বের ক্ষেত্রে বিধি নিষেধের ক্ষমতা
অধ্যায়-১৩
কপিরাইটের লংঘন
৭১। কপিরাইট লঙ্ঘন
৭২। কতিপয় কার্য কপিরাইট লঙ্ঘন নয়
৭৩। শব্দ রেকর্ডিং ও ভিডিও চিত্রে অন্তভর্ু্ক্তব্য বিবরণী
৭৪। অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি আমদানী
অধ্যায়-১৪
দেওয়ানী প্রতিকার
৭৫। সংজ্ঞা
৭৬। কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য দেওয়ানী প্রতিকার
৭৭। পৃথক অধিকারের রক্ষণ
৭৮। প্রণেতার বিশেষ স্বত্ব
৭৯। অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপির দখলকার বা লেনদেনকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মালিকের অধিকার
৮০। কপিরাইটের মালিক কার্যধারায় পক্ষ হইবে
৮১। আদালতের এখতিয়ার
অধ্যায়-১৫
অপরাধ এবং শাস্তি
৮২। কপিরাইট বা অন্যান্য অধিকার লঙ্ঘনজনিত অপরাধ
৮৩। দ্বিতীয় বা পরবর্তী অপরাধের বর্ধিত শাস্তি
৮৪। কম্পিউটার প্রোগ্রামের লংঘিত কপি প্রকাশ, ব্যবহার, ইত্যাদির অপরাধ
৮৫। অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি তৈরী করিবার উদ্দেশ্যে প্লেট দখলে রাখা
৮৬। অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি বা অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি তৈরীর উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত প্লেট বিলিবণ্টন
৮৭। রেজিষ্টারে মিথ্যা অন্তভর্ুক্তি, ইত্যাদি, অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য উপস্থাপনা বা প্রদান করার শাস্তি
৮৮। প্রতারিত বা প্রভাবিত করিবার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বিবৃতি প্রদানের শাস্তি
৮৯। প্রণেতার মিথ্যা কতর্ৃত্ব আরোপ
৯০। ধারা [৭৩] লঙ্ঘনের শাস্তি
৯১। কোম্পানী কতর্ৃক অপরাধ
৯২। অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ
৯৩। লঙ্ঘিত অনুলিপি জব্দ করিতে পুলিশের ক্ষমতা
অধ্যায়-১৬
আপীল
৯৪। ম্যাজিষ্ট্রেটের কতিপয় আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
৯৫। রেজিষ্ট্রারের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
৯৬। বোর্ডের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
৯৭। তামাদী গণনা
৯৮। আপীলের পদ্ধতি
অধ্যায়১৭
বিবিধ
৯৯। রেজিষ্ট্রার এবং বোর্ড এর দেওয়ানী আদালতের কতিপয় ক্ষমতা
১০০। রেজিষ্ট্রার বা বোর্ড কতর্ৃক প্রদত্ত অর্থ প্রদানের আদেশ ডিক্রীর ন্যায় কার্যকর হইবে
১০১। অব্যাহতি
১০২। জনসেবক
১০৩। বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা
১০৪। ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
১০৫। রহিতকরণ, হেফাজত এবং ক্রান্তিকালীন বিধান

বিস্তারিত দেখুন– কপিরাইট আইন, ২০০০

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২


পর্নোগ্রাফি তৈরির অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ বিল-২০১২’ পাস হয়েছে সংসদে। এ আইনে পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে কারো মর্যাদাহানি বা কাউকে ব্ল্যাকমেইল করা হলে, এমনকি এ জাতীয় কিছু সংরক্ষণ বা পরিবহন করা হলেও দুই থেকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং এক থেকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে। গত ২ জানুয়ারি বিলটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিপরিষদ। পরে ২৯ জানুয়ারি বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের ১৮তম কার্যদিবসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব নাকচ হয়।

কোনো ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি উৎপাদন বা এ উদ্দেশ্যে অংশগ্রহণকারী সংগ্রহ করে চুক্তিপত্র তৈরি করলে অথবা কোনো নারী, পুরুষ বা শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে জানিয়ে বা না জানিয়ে স্থির, ভিডিও বা চলচ্চিত্র ধারণ করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে বিলে।
শিশুদের ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণকারীদের জন্য সবচেয়ে বেশি শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘বর্তমানে চলচ্চিত্র, স্যাটেলাইট, ওয়েবসাইট ও মোবাইলের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি মারাত্মক ব্যাধির মতো দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। পর্নোগ্রাফি যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এর শিকার হয়ে অনেক নারী, পুরুষ ও শিশুকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হতে হচ্ছে। কিন্তু এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন না থাকায় অপরাধ রোধ ও অরপাধীদের বিচার করা সম্ভব হচ্ছে না। বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।’

বিলে পর্নোগ্রাফির সংজ্ঞা, বিচারিক আদালত, বিচার ও আপিল পদ্ধতি, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের শাস্তি, তদন্ত এবং তল্লাশি পদ্ধতি ও অপরাধের আমলযোগ্যতার বিষয়টি সনি্নবেশিত করা হয়েছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

বিলে পর্নোগ্রাফির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোনো অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অধনগ্ন নৃত্য যা চলচ্চিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও ভিজুয়ালচিত্র, স্থিরচিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এবং যার কোনো শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই।’
এ ছাড়া ‘যৌন উত্তেজনা’ সৃষ্টিকারী অশ্লীল বই, সাময়িকী, ভাস্কর্য, কল্পমূর্তি, মূর্তি, কার্টুন বা লিফলেট বা এগুলোর নেগেটিভ বা সফট ভার্সনও পর্নোগ্রাফির আওতাভুক্ত হবে। বিলে বলা হয়েছে, ‘পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ, বহন, সরবরাহ, ক্রয়-বিক্রয় ও প্রদর্শন করা যাবে না।’

পর্নোগ্রাফির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বা তাঁর সমমর্যাদার কর্মকর্তাকে দিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। তদন্তের প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে আরো ১৫ দিন এবং আদালতের অনুমোদন পাওয়া গেলে আরো ৩০ দিন পর্যন্ত সময় নেওয়া যাবে। বিলের ৬ নম্বর দফায় বলা হয়েছে, এ জাতীয় অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার বা কোনো পর্নোগ্রাফি সরঞ্জাম জব্দ করার জন্য তল্লাশি চালানো যাবে।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২

( ২০১২ সনের ৯ নং আইন )

[৮ মার্চ, ২০১২ ]

নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধকল্পে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণের
উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন

যেহেতু পর্নোগ্রাফি প্রদর্শনের ফলে নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটিতেছে এবং বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হইতেছে ও সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাইতেছে; এবং
যেহেতু নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন প্রণয়ন করা হইলঃ—

সূচী

ধারাসমূহ

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
২। সংজ্ঞা
৩। আইনের প্রাধান্য
৪। পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ইত্যাদি নিষিদ্ধ
৫। তদন্ত
৬। তল্লাশী, জব্দ ইত্যাদি
৭। বিশেষজ্ঞ মতামতের সাক্ষ্যমূল্য
৮। দণ্ড
৯। কতিপয় ক্ষেত্রে আইনের অপ্রযোজ্যতা
১০। অপরাধের আমলযোগ্যতা
১১। বিচার পদ্ধতি
১২। আপিল
১৩। মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির দণ্ড
১৪। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
১৫। আইনের ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ

বিস্তারিত দেখুন– পর্ণগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২